সঙ্গতিহীন সম্পত্তি বৃদ্ধির মামলায় তদন্ত হলে পূর্ণ সহযোগিতা করার আশ্বাস দিলেন কাঁথির শান্তিকুঞ্জের বাসিন্দারা।
২০০৬ সালের ওই মামলাটি আদতে হয়েছিল বাংলার ১৯ জন তৃণমূল নেতা-নেত্রীদের অস্বাভাবিক হারে সম্পত্তি বৃদ্ধির অভিযোগ নিয়ে।এর পরেই গত ১৮ আগস্ট বাংলার ১৭ জন রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীর সম্পত্তি বৃদ্ধির অভিযোগ নিয়ে মামলা হয়। এঁঁদের মধ্যে বিরোধী দলের ১৫ জন। বাকি দু’জন কাঁথির সাংসদ শিশির অধিকারী ও তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের দিব্যেন্দু অধিকারী খাতায়-কলমে শাসক দলের নেতা হলেও দলের সঙ্গে সে ভাবে যোগাযোগ নেই।
সংবাদ সংস্থার দাবি ২০২১ সাল পর্যন্ত নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বেড়েছে যথাক্রমে ৮৬৭ শতাংশ ও ১২৮ শতাংশ।তাঁর ভাই তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারীর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বেড়েছে যথাক্রমে ৬৪৫ শতাংশ ও ৫৮ শতাংশ।
আর দুই ছেলেকে ছাপিয়ে প্রবীন সাংসদ শিশির অধিকারীর সম্পত্তি বৃদ্ধি হয়েছে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি দুই ক্ষেত্রে যথাক্রমে ৬২১৩ শতাংশ ও ৩৫৬৮ শতাংশ। তাঁর স্ত্রীর গায়ত্রী অধিকারীর সম্পত্তির পরিমাণ বেড়েছে ১৭৩৮ শতাংশ ও ৩০০ শতাংশ।
বিরোধী দলের নেতা নেত্রী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের অস্বাভাবিক আকারে সম্পত্তি বৃদ্ধির বিষয়ে উচ্চ আদালতে জনস্বার্থ মামলাটি দায়ের করেছেন সুজিত গুপ্ত। প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি হয় ।
সঙ্গতিহীন সম্পত্তি বৃদ্ধির মামলায় শিশির-দিব্যেন্দু ছাড়াও অভিযুক্তদের তালিকায় নাম আছে শুভেন্দু অধিকারী, মহম্মদ সেলিম, আব্দুল মান্নানের মতো ওজনদার নেতাদেরও। মঙ্গলবার তাঁদের আইনজীবীরা আদালতকে জানিয়ে দিলেন, তাঁরা এই অভিযোগের তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।






