Select Language

[gtranslate]
২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বৃহস্পতিবার ( ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ )

কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় একনাগাড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা

প্রদীপ কুমার মাইতি:-দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা এলেও তার প্রভাবে তেমন স্বস্তি মিলছেনা মানুষের। সকাল হলেই কড়া রোদ এবং পরে মেঘের কারণে আদ্রতাজনিত অস্বস্তি ক্রমশ বেড়ে চলেছে। যার কারণে বৃষ্টির জন্য একপ্রকার চাতক পাখি হয়ে বসে আছে মানুষ। আর ঠিক সেই সময়ই সুসংবাদ দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।অবশেষে বৃষ্টি পেতে চলেছে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি। আগামী চার দিন দক্ষিণবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় রয়েছে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা, জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে শহর কলকাতাতেও।চলতি বছর দক্ষিণবঙ্গে সক্রিয় তেমন নয় মৌসুমী বায়ু। তার অন্যতম কারণ হিসেবে আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছিলেন, কোনও নিম্নচাপ বা ঘূর্ণাবর্ত ছিল না যা বর্ষা পেতে সাহায্য করবে। কিন্তু, অবশেষে ওড়িশা অন্ধ্র উপকূলে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। সেই নিম্মচাপেক প্রভাবেই এবার বৃষ্টি পেতে চলেছে দক্ষিণবঙ্গ।হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আগামী পাঁচদিন দক্ষিণবঙ্গে মধ্যে দুই মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, কলকাতা, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভালো বৃষ্টিপাত হবে। এছাড়াও বৃষ্টি হতে পারে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলাতেও।দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি অবশেষে বৃষ্টি পেতে চলছে হাওড়া, হুগলি, কলকাতা, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার পাশাপাশি অন্যান্য জেলাগুলিতেও ছিটেফোঁটা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সামান্য বাড়তে পারে তাপমাত্রার পারদ। ফলে গরমে বাড়বে অস্বস্তি। এছাড়াও বজায় থাকবে আপেক্ষিক আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও।গত কয়েকদিনে কলকাতায় সামান্য বৃষ্টিপাত হচ্ছে। কিন্তু আগামী চারদিনে পরিস্থিতি বদলে যাবে বলেই মত হাওয়া অফিসের। রবিবার ছুটির দিনেও কলকাতার তাপমাত্রার পারদ থাকবে সামান্য ঊর্ধ্বমুখী। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।গতকাল শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৩ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৫ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। এদিন বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ রয়েছে সর্বাধিক ৯২ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৫২ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ০.৪ মিলিমিটার।বর্ষা এসে পৌঁছানোর পর প্রায় তিন সপ্তাহ হয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত এর প্রভাবে ভারী বর্ষণের মুখ দেখেনি মানুষ। অবশ্য এর কারণ হিসেবে উত্তরে অধিক বৃষ্টিপাতের কথাই বলা হয়েছে। কোন কোন সময় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত নামলেও গুমোট গরম কমার নাম নেই। আবহাওয়া অফিসের মতে, আগামী কয়েক দিনে পরিবর্তন আসবে এই পরিস্থিতির।উত্তরবঙ্গের কিছু জেলায় আজ ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এরমধ্যে জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এছাড়াও দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহারও পেতে পারে বৃষ্টি। চলতি মরশুমে উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। সেখানে সময়ের আগেই প্রবেশ করেছিল বর্ষা। হয়েছিল ভারী বৃষ্টিপাতও।

Related News

Also Read