নিজের দলে ও দলের বাহিরের বিরোধীদের জবাব দিলেন সুপ্রকাশ গিরি।ঘরে ও বাহিরে হাজার প্রতিবন্ধকতার মধ্যে নিজে শুধু সর্বোচ্চ ভোটে জয়ী হওয়াই নয় ,দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রার্থীদের জয়ী করিয়েছেন।সুপ্রকাশ গিরির সাংগঠনিক ক্ষমতা এবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী,বিরোধী রাজনৈতিক দল ও শাসক দলের অন্দরে থাকা তার বিরোধীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলবে বলছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরাই।
সুপ্রকাশ গিরির রাজনৈতিক উত্থান আরো গতি পাওয়া ছাড়া পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বলাগেড়িয়া সেন্ট্রাল কো অপারেটিভ ব্যাঙ্কের নির্বাচনে জয়জয়কার রাজ্যের শাসক দল তৃনমূলের।পরিচালন কমিটির ৯টি আসনের সবকটিতেই জয়ী হয়েছে তৃনমূলের প্রার্থীরা।সবচেয়ে বেশী ভোটে জয়ী হয়েছেন তৃনমূলের কাঁথি সাংগঠনিক জেলার যুব সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি।
বলাগেড়িয়া সেন্ট্রাল কো অপারেটিভ ব্যাঙ্কের তিনটি নির্বাচনী কেন্দ্র কাঁথি,রামনগর ও এগরার কৃষি এবং অকৃষি ক্ষেত্র থেকে মোট ৯জন ডিরেক্টর নির্বাচিত হন ।তাঁরাই চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচন করেন ।
৯টির মধ্যে ২টিতে আগেই বিনা নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলো তৃনমূল।বাকী ৭টি আসনে এদিন ভোট গ্রহন ও গননা হয় ।প্রসঙ্গত বলাগেড়য়া সেন্ট্রান কো অপারেটিভ ব্যাঙ্কের নির্বাচনে কোন আসনেই প্রার্থী দিতে পারেনি বিরোধীরা।সব কটি আসনেই তৃনমূলের দুটি গোষ্ঠীর বন্ধুত্বপূর্ন লড়াই হয় ।তবে কোন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি।
নির্বাচনে উত্তেজনার কথা মাথায় রেখে অবশ্য পুলিশ প্রশাসন কড়া নিরাপত্তার ব্যাবস্থা গ্রহন করেছিলো।
রাজ্যের কারাগার মন্ত্রী অখিল গিরি বলেন সমবায়কে রাজনৈতিক রংয়ের বাহিরে রেখে আমরা কাজ করি।তবে শুভেন্দু অধিকারী বা বিরোধীরা সব কিছুতেই রাজনীতির রং দেওয়ার চেষ্টা করে ।তবে এবারের নির্বাচনে কোন কায়দা করতে পারেনি।শুভেন্দু চেষ্টা করেও প্রার্থী দিতে পারেনি।
অখিল গিরি মুখে না বললেও পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রাজনৈতিক মহল বলছে শুভেন্দু অধিকারীর তৃনমূল ত্যাগের পর দলে ও দলের বাহিরে সুপ্রকাশের উত্থান চোখে পড়ার মত ।সৌমেন্দু – দিব্যেন্দু অধিকারীরা নিজেদের বাবা শিশির অধিকারী-দাদা শুভেন্দু অধিকারীর ছায়ায় রাজনীতি করলেও সুপ্রকাশ তার বাবা অখিল গিরির ছায়ায় আটকে থাকেনি।স্বাভাবিক কারনে দলের কিছু নেতা অস্তিত্ব হারানোর আশংকা করছে।এই নির্বাচনের ফল সেই নেতাদের নিশ্চিন্ত ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাবে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।






