৪৮ ঘন্টা নয়,১২ ঘন্টার মধ্যেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ পালন মারিশদাতে।কাঁথি ৩ ব্লকের মারিশদা পঞ্চায়েতের গ্রাম প্রধান-উপ প্রধান ও দলের অঞ্চল সভাপতি নিজেদের পদ থেকে ইস্তাফা দিলেন।রবিবার সরকারি অফিস বন্ধ থাকায় গ্রাম প্রধান-উপ প্রধান ব্লকের বিডিওর কাছে ইস্তাফা পত্র জমা দিতে পারেন নি ।
শনিবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি প্রভাত কুমার কলেজ মাঠে দলের জনসভায় যোগ দেওয়ার আগে দিঘা নন্দকুমার ১১৬ বি জাতীয় সড়কে মারিশদা গ্রাম পঞ্চায়েতের এওকটি গ্রামে ঢুকে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায। সেখানে তাদের থেকে একাধিক অভিযোগ পান তিনি।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাতের কাছে পেয়ে গ্রামবাসীরা তাঁর কাছে অভিযোগ করেন বাড়ির কথা বললেও প্রধান ঝুনু মণ্ডল,উপপ্রধান রামকৃষ্ণ মণ্ডল ও অঞ্চল সভাপতি গৌতম মিশ্র কোনও সহযোগিতা করছে না।
সেই গ্রাম থেকে বেরিয়ে কলেজ মাঠের মঞ্চে বক্তব্য রাখার সময় কার্যত তিনজনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অবিলম্বে তাদের পদত্যাগের নির্দেশ দেন। এই নির্দেশ কার্যকর করার জন্যই অবিলম্বে কাঁথি সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তরুণ কুমার মাইতিকে নির্দেশ দেন। নির্দেশ পাওয়ার পর তোড়জোড় শুরু করে জেলা উচ্চতর নেতৃত্বরা।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মত তিনি তাঁর পদ থেকে ইস্তাফা দিয়েছেন বলে জানা মারিশদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ঝুমু মণ্ডল ।বলেন, এবিষয়ে আর কিছু মন্তব্য করব না। আমি অসুস্থ । দলের সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নিয়েছি।

অপসারিত মারিশদা অঞ্চল সভাপতি গৌতম মিশ্র বলেন, আমরা তৃণমূলের একটা পরিবার। দীর্ঘদিন ধরে আমরা তৃনমূল করছি। যখন বিধানসভা নির্বাচনে গেল গেল রব উঠেছিল, তখন থেকে আমি দলের অঞ্চল সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলাম। দলের উচ্চতর নেতৃত্ব মনে করেছেন তাই পদত্যাগপত্র জমা দিলাম। তৃণমূলের সৈনিক হিসেবে আগামী দিনে কাজ করবো। আমার নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও আমার নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া বাংলায় উন্নয়ন ভাবা যায় না।তিনি জানিয়েছেন রবিবার ছুটির দিন থাকায় বিডিও জমা দেয়নি। তবে আগামীকাল অর্থাৎ সোমবার বিডিও নেহাল আহমেদ কাছে প্রধান ও উপ প্রধানের ইস্তফাপত্র জমা দেবেন।






