Select Language

[gtranslate]
২রা ফাল্গুন, ১৪৩২ রবিবার ( ১৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ )

ভাইয়ের স্ত্রীকে খুনের চেষ্টা,পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদন্ড যুবকের

দীর্ঘ ১২ বছর পর ভাইয়ের স্ত্রীকে খুনের চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্তের পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করলেন কাঁথি মহকুমা আদালত এসিস্ট্যান্ট সেশন জাজ (ফার্স্ট কোর্ট) সুকুমার মণ্ডল।

 

কাঁথি শহরের করকুলি এলাকার বাসিন্দা রঘু ভৌমিক এর সাজা হল। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩২৫ধারায় অভিযুক্তের পাঁচ বছর কারাদণ্ড এর সঙ্গে ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে অতিরিক্ত ৫ মাস কারাবাসের নির্দেশ দিয়েছেন।

 

মামলার সরকারি আইনজীবী রুদ্রতনু জানা বলেন, এই মামলার রঘুর বাবা, দু’ভাই সহ পরিবারের সদস্যরা মিলিয়ে ৯ জন এর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

 

জানা গিয়েছে, রঘুরা তিন ভাই। বড় ভাই রঘু বরাবরই রগচটা, বদমেজাজি, ও উচ্ছৃঙ্খল ধরনের। রঘু সপরিবারে আলাদা থাকত। সে ভ্যান রিকশা চালাত। আর দুই ভাই তারকনাথ ও রাজনারায়ণ বাবা প্রবোধবাবুকে নিয়ে থাকতেন। রঘু ভাইয়েদের সঙ্গে প্রায়শই নানা বিষয় নিয়ে অশান্তি করত। গত ২০১৩সালের ১২ফেব্রুয়ারি মেজ ভাই তারকনাথের সঙ্গে রঘুর বচসা শুরু হয়। সেই সময় রঘু বাড়িতে ঢুকে ভাইকে মারধর শুরু করে। স্বামীকে বাঁচাতে বাধা দিতে যান ভাতৃবধূ টুকু ভৌমিক। তাঁকে বাটাম দিয়ে আঘাত করে রঘু। গুরুতর জখম অবস্থায় কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন টুকু।

 

পরে ছোট ভাই রাজনারায়ণ দাদার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্তে নেমে রঘুকে গ্রেফতার করে। জামিনে ছাড়া পাওয়ার পর বাড়িতেই থাকত রঘু। তবে সেই সময় আরও বড় অন্যায় করে রঘু। ২০১৫ সালে পারিবারিক অশান্তির জেরে বচসা চলাকালীন নিজের স্ত্রী রিনাকে খাটের পায়া দিয়ে আঘাত করে খুন করে রঘু। তারপর থেকে ফেরার হয়ে যায়। ১০বছর ছদ্মবেশে দিঘায় থাকত এবং সেখানে ভ্যান রিকশা চালাত। চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে ধরা পড়ে রঘু। বর্তমানে সে জেল হেফাজতেই রয়েছে। যদিও খুনের ঘটনার পর বধূর বাপেরবাড়ির লোকজনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা রুজু হয়।

Related News

Also Read