কোলাঘাট ও পাঁশকুড়া ব্লকের প্রায় শতাধিক মৌজার জলনিকাশি হয়, দেহাটি লকগেট দিয়ে। ওই লকগেটের ছ’টি সাটারের(ঝাপ)দু’টি সাটার দীর্ঘদিন ধরেই অকেজো। বাকি চারটি সাটারও ঠিকমতো কাজ করছিল না।
দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে সেচ দপ্তর সম্প্রতি ৫৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে লকগেটটি সংস্কার করবার সিদ্ধান্ত নিয়ে ঠিকাদার নিয়োগ করে। ঠিক হয়েছিল ডিসেম্বরের শুরুতেই লকগেট সারানোর কাজ শুরু করবে সেচ দপ্তর। জানুয়ারির মাঝামাঝি নাগাত লকগেট দিয়ে জোয়ার জল তোলা হবে।
কিন্তু ডিসেম্বর মাস শেষ হতে চলল, খালের দুদিকে ক্রশবাঁধ দেওয়ার কথা থাকলেও এখনো একদিকের ক্রশবাঁধ দেওয়ার কাজই শেষ করতে পারেনি ঠিকাদার। ফলস্বরূপ আগামী বিকল্প চাষের জন্য প্রয়োজনীয় জোয়ার জল সঠিক সময়ে আসা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে ‘কৃষক সংগ্রাম পরিষদে’র পক্ষ থেকে সেচ দপ্তরের এসডিও’কে স্মারকলিপি দিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দ্রুত মেরামতির কাজ শেষ করবার দাবি জানানো হয়েছে।
পরিষদের সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়ক বলেন, ১৫ থেকে ২০ জানুয়ারির মধ্যে লকগেট সংস্কারের কাজ শেষ করতে হবে। অন্যথায় বিকল্প চাষের কাজ ব্যহত হবে। যা কোনও ভাবে বিঘ্ন ঘটানো যাবে না।






