Select Language

[gtranslate]
১৫ই চৈত্র, ১৪৩২ রবিবার ( ২৯শে মার্চ, ২০২৬ )

।। দেশের সংবিধান প্রণেতার ছবি লাগানো পোস্টার পুড়লো কার প্ররোচনায় ?

দেশের সংবিধান প্রণেতা ডঃ বি আর আম্বেদকরের ছবি লাগানো পোস্টার-ব্যানারে আগুন লাগালো পড়ুয়ারা ! এর আগে সেই পোস্টার ছিঁড়ে,পায়ে দলে আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠেছে সাবাজপুট সম্বোধি শিক্ষাতির্থ বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে।এরা কি স্বতপ্রণোদিত হয়ে নাকি কারো প্ররোচনায় এই কান্ড ঘটালো প্রশ্ন উঠছে এলাকা জুড়ে ।এর ফলে যদি এই পড়ুয়াদের বড় কোন আইনী ঝামেলার মুখে পড়তে হয়,তার দায় কে নেবে সেই প্রশ্নও উঠছে এলাকায়।

ঘটনার সুত্রপাত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা
নন্দিশ নিয়োগি’র বিরুদ্ধে বহুজন সমাজ পার্টির নেতৃত্ব ও আদি ভারতীয় মহান অসুর সংস্কৃতি রক্ষা মঞ্চের ডেপুটেশানকে কেন্দ্র করে ।

ডেপুটেশানকারীদের অভিযোগ বিদ্যালয়ের অশিক্ষক কর্মচারী তফসিলি পরিবারের সদস্যা মৌসুমী দাসের সাথে অমানবিক আচরনের।আরো অভিযোগ এই মানসিক ও শারীরিক হেনস্থার জেরে মৌসুমী দেবীর গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়েছে।তাই প্রধান শিক্ষিকার শাস্তির দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে বহুজন সমাজ পার্টি ও আদি ভারতীয় মহান অসুর সংস্কৃতি রক্ষা মঞ্চ।


সেই আন্দোলনের প্রতিবাদে নামে কয়েক জন পড়ুয়া। কেন ? প্রশ্ন উঠছে নিজের দোষ ঢাকতে কিংবা আইনের বেড়াজাল থেকে রক্ষা পেতেই কি প্রধান শিক্ষিকা বা তাঁর শুভানুধ্যায়ীরা পড়ুয়াদের ঢাল হিসাবে ব্যাবহারের চক্রান্ত করেছেন? যদি তাই হয় তবে পড়ুয়াদের আইনি ঝামেলায় ঠেলে দেওয়া এই মানুষ গুলোর মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। পড়ুয়ারা আইনী ঝামেলায় পড়লে সেই দায় কে নেবে সেটাও বড় প্রশ্ন।

আর যদি পড়ুয়ারা নিজেরাই এই কান্ড ঘটিয়ে থাকে তবে প্রধান শিক্ষক কিংবা বাকী শিক্ষকেরা কোথায় ছিলেন সেই প্রশ্ন উঠছে।দেশের সংবিধান প্রণেতার ছবিতে আগুন লাগানো অসুস্থ মস্তিষ্কের এই পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে কি ব্যাবস্থা নিয়েছেন আপনারা? তাঁদের প্রতিরোধ করেন নি কেন ? কেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহ বাকীদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কবে আইনত ব্যাবস্থা নেবেন সেই প্রশ্নও উঠছে এলাকা জুড়ে

Related News

Also Read