পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় এই প্রথম সেচ দপ্তরের তত্ত্বাবধানে ওয়েস্ট বেঙ্গল মিনারেল ডেভেলপমেন্ট এন্ড ট্রেডিং করপোরেশন লিমিটেড(WBMDTCL) ১৬ কি.মি. দীর্ঘ গঙ্গাখালি খাল সংস্কারের কাজ শুরু করেছে। মহকুমার তিনটি ব্লকের মধ্য দিয়ে যাওয়া এই খাল সংস্কারের জন্য কোন টাকা মঞ্জুর করা হয় নি। মিনারেল ডেভেলপমেন্ট এন্ড ট্রেডিং করপোরেশন মেসার্স ভগীরথ ব্রিক ইন্ডাস্ট্রিজকে ঠিকাদার হিসাবে নিযুক্ত করেছে। যারা খাল সংস্কার করবে সেচ দপ্তরের সিডিউল অনুসারে। বিনিময়ে খাল সংস্কারের মাটি বিক্রি করবে। এবং ওই মাটি বিক্রির টাকা থেকে খানিকটা অংশ সরকারী কোষাগারে জমা করবে। খাল সংস্কারের জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে সাত মাস। এই পরিপ্রেক্ষিতে সেচ দপ্তরের তমলুক সাব ডিভিশনের এস ডি ও সৌরভ দাস গত ৩০ অক্টোবর কোলাঘাট, তমলুক,শহীদ মাতঙ্গিনী ব্লকের বিডিও কে চিঠি দিয়ে খালের ভেতর থাকা গাছ কেটে নেওয়া ও বেআইনী নির্মাণ সরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নদীর জল যাতে খালে ঢুকতে না পারে সেজন্য লকগেট থেকে নদীর দিকে আড়াআড়িভাবে বাঁধ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু এখনো কোন আড়াআড়িভাবে বাঁধ দেওয়া সহ বেআইনী কোন নির্মাণ উচ্ছেদ করা হয় নি। শুধু তাই নয়, বিষয়টি জনসাধারণকে জানানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা চিঠিতে বলা থাকলেও এখনো খাল সংশ্লিষ্ট এলাকায় মাইক প্রচার করা হয় নি বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। নভেম্বরের মিডিল থেকে কাজ শুরু হবে বলে চিঠিতে জানানো হলেও গত সাত দিন আগে বিচ্ছিন্নভাবে দুটি জায়গায় মাটি তোলা শুরু হয়েছে।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলা বন্যা-ভাঙন প্রতিরোধ কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়ক বলেন, আমরা পূজোর ছুটির পূর্বেই সেচ দপ্তরের এস ডি ও এবং তমলুকের মহকুমা শাসকের সাথে দেখা করে ব্লক প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে বৈঠক করে উপভোক্তা কমিটি গঠন করে কাজ শুরুর দাবী জানিয়েছিলাম। কিন্তু এখনো সেই বৈঠক ডাকা হয় নি বলে নারায়ণবাবুর অভিযোগ।







