ইন্দ্রজিৎ আইচ
শুধু মাতৃ বন্দনা নয়, এ যেন বাংলার প্রতিটি মেয়ের চিরাচরিত ঘরে ফেরার গপ্পো, যেখানে বাংলার “যাও গিরিরাজ আনিতে গৌরি উমা নাকি বড় কাঁদিছে” আর সুদূর মরু প্রদেশের “সাতো জনম-রি এক কাহানি” মিলে মিশে এক হয়ে যাওয়া। বাংলার শিউলি ফোটা শরতের নীল আকাশের সাদা মেঘের ভেলায় ভেসে উমার ঘরে ফেরা ভোরের শিশির, কাশের দোলায়, বেজে ওঠে তাঁর আগমনী সুর।

আরাধ্যা দেবী হয়ে ওঠেন বাংলার ঘরের মেয়ে উমা। উমার আগমনকে কেন্দ্র করেই বাংলার লোকসংস্কৃতির সাথে জড়িয়ে আছে আগমণী গান। যে গানে গীতরস ও নাট্যরসের এক সম্পৃক্ত মিশেল আছে।

শারদীয়ার প্রাক্কালে ঘরের এই লোকসংস্কৃতির নির্যাসকে ভিত্তি করে একটি “তান” প্রযোজনা “উমা এলো” অনুষ্ঠিত হতে চলেছে আগামী ১৬ ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬ টায় কলকাতার কলেজ স্ট্রীটের ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট হলে।

ভাবনা, নির্মান ও বিন্যাস – আদি। বিভিন্ন চরিত্রে আছেন
হর – রণিত মোদক
উমা- সাধনা হাজরা
গিরিরাজ – মিথুন ব্যানার্জী
মেনকা – কাবেরী কর ( পুইতন্ডি)
সংগীর পরিচালনা – ড: চন্দন কুমার রায় ও প্রমিতি রায়
মঞ্চনির্মান – সমীর কুন্ডু। সব মিলিয়ে জমে উঠতে চলেছে
দুর্গার আবাহন নিয়ে জমজমাট এক চমৎকার নৃত্যনাট্য।





