প্রদীপ কুমার সিংহ :- ১ সেপ্টেম্বর পুলিশ ডে হিসাবে পালন হয়। রবিবার সকাল নটার সময় বারুইপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপারের অফিসের পাশের ময়দানে পুলিশ দিয়ে উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠান হয়। সেই অনুষ্ঠানে উদ্বোধন করেন বারুইপুর পুলিশ জেলা পুলিশ সুপার পলাশ চন্দ্র ঢালী মহাশয়। এই পুলিশ জেলার আধিকারিক সহ বেশ কিছু পুলিশ এই উপলক্ষে প্যারেড করে। বিভিন্ন কাজে সফলতার জন্য কয়েকজন পুলিশ কর্মীদের মেমেন্টো ও সংশয় পত্র দেয়া হয়। সেই সঙ্গে পুলিশ ডে উপলক্ষে বারুইপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার পলাশ চন্দ্র ঢালী বারুইপুর ট্রাফিক পুলিশ বিভাগে একটি ট্রেভেলো উদ্বোধন করেন। যেটি বারুইপুর পুলিশ জেলার অফিসের সামনে উদ্বোধন করেন। এই ট্রেভেলো সঙ্গে বেশ কিছু ট্রাফিক পুলিশের আধিকারিক ও সিভিক বাইক নিয়ে একটি মিছিল করে। যেটি বারুইপুর পুলিশ জেলার অফিসের সামনে থেকে শুরু হয় তার শেষ হয় কামালগাছিতে ব্রিজের তলায়। প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তা এই বাইক মিছিল হয়।
পুলিশ সুপার পলাশ চন্দ্র ঢালি বলেন পুলিশ মানুষের বন্ধু। পুলিশ মানুষের শত্রু নয়। মানুষকে সচেতন করার জন্য এবং ট্রাফিক আইন সচেতন করার জন্য পুলিশ ডে উপলক্ষে এই বাইক মিছিলটি হয়। সকাল ১১:৩০ টার পর এটি শুরু হয়।
পাশাপাশি আজ পুলিশ ডে উপলক্ষে বারুইপুর পুলিশ জেলার বেশ কিছু থানার এলাকার বেশ কিছু মানুষের মোবাইল চুরি হয় কয়েক মাস ধরে। সেই মোবাইল গুলো উদ্ধার করে মোবাইল প্রাপকদের হাতে তুলে দেন। ৫৪ টি মোবাইল উদ্ধার করে পুলিশ। রবিবার এই অনুষ্ঠানে ৪০ জন মানুষ আসে তাদের হাতে মোবাইল তুলে দেয়। পুলিশ সুপার পলাশ চন্দ্র ঢালী সহ পুলিশের অন্যান্য আধিকারিক বৃন্দ।
সেই সঙ্গে রবিবার এই অনুষ্ঠানে দুই অবসর প্রাপ্ত ব্যক্তির বহু টাকা ফ্রড হয়েছিল। অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক রঞ্জন মাইতি যিনি এখন নরেন্দ্রপুর কলেজে অতিরিক্ত অধ্যাপক। বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা নরেন্দ্রপুর থানা অন্তর নরেন্দ্রপুর এলাকায় তার ৯ লক্ষ টাকার প্রতারণা করেছিল একটি সংস্থা প্রায় এক বছর আগে। তিনি বারুইপুরের সাইবার ক্রাইম দপ্তরের অভিযোগ জানান সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে ৯ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে রবিবার তার হাতে দিয়ে দেয়।
রঞ্জন বাবু বলেন আমি আশা করতে পারিনি এই টাকা ফেরত পাব কিন্তু পুলিশের সাহায্যে আমি এই টাকার ফেরত পেলাম পুলিশকে অনেক ধন্যবাদ।
ওএনজিসি অবসরপ্রাপ্ত কর্মী
দীপক দাস বাড়ি গরিয়া এলাকায়। একটি বিদেশী কোম্পানি কাছে টাকা ফ্রড হয়েছিল ২২ লক্ষ টাকা দাস বাবু। প্রথমে তিনি লাল বাজারে সাইবার ক্রাইমে অভিযোগ জানান। লালবাজার থেকে তাকে বারইপুর পুলিশ জেলার বারুইপুরে বারুইপুরের সাইবার ক্রাইম দপ্তরে আসতে বলেছিলেন। নভেম্বর মাসে তার টাকা ফ্রড হয়েছিল তিনি মার্চ মাসে অভিযোগ জানিয়ে ছিলেন। তারপর বারুইপুর পুলিশ জেলা একে তার ৮ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে। রবিবার সেই টাকা তুলে দেন বারইপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার পলাশ চন্দ্র ঢালি ।






