বহু প্রতীক্ষিত পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার স্থায়ী বন্যা নিয়ন্ত্রণের প্রকল্প ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান আজো রূপায়িত না হওয়ায় চলতি বছরে ঘাটাল মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকা এবার ৫ বার বিধ্বংসী বন্যার কবলে পড়েছে। কয়েকজনের জীবনহানি সহ হাজার হাজার মানুষ বিগত বছরগুলির মত এবছরও ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণ সংগ্রাম কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নারায়ন চন্দ্র নায়ক ও দেবাশীষ মাইতি বলেন,মাস্টার প্ল্যানের প্রথম পর্যায়ের শুরুতেই যেটা দরকার ছিল,শীলাবতী নদীর নিম্নাংশ পূর্ণ সংস্কার। সেচ দপ্তর প্রথমে সেই কাজের উদ্যোগ না নিয়ে যে কাজগুলিতে নিশ্চিত বিরোধিতা আসবে,সেই কাজগুলি করার উদ্যোগ নিলেন। ফলস্বরূপ মানুষের এই চরম দুর্ভোগ। রাজ্য সরকার কর্তৃক টাকা মঞ্জুরের পরপরই ওই সংস্কার কাজের উদ্যোগ নেওয়া হলে চলতি বর্ষায় ভুক্তভোগী বানভাসি মানুষজনেরা ভয়াবহ বন্যার হাত থেকে অনেকটা রেহাই পেতেন।
নারায়নবাবু বলেন, বন্যার জল নেমে গেলেই শিলাবতী নদীর নিম্নাংশ পূর্ণ সংস্কারের কাজ শুরু করা সহ মাস্টার প্ল্যানের প্রথম পর্যায়ের কাজে দ্রুততার সাথে হাত দেওয়ার আবেদন জানিয়ে আজ সেচমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। ওই স্মারকলিপির প্রতিলিপি সেচ দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি ও চিফ ইঞ্জিনিয়ারকে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সমগ্র কাজগুলি সুষ্ঠুভাবে রূপায়নের স্বার্থে মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণ সংগ্রাম কমিটির প্রতিনিধি সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে মনিটরিং কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করারও দাবী জানানো হয়েছে স্মারকলিপিতে।





