গরু পাচার কান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বীরভূমের তৃনমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলকে গ্রেফতারের পর তদন্তে গতি বাড়িয়েছে সিবিআই ।বীরভূমের চাল কল গুলিতে হানা দিতে শুরু করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
সোমবার সকালে সিবিআইয়ের ৪ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল শিবশম্ভু রাইস মিলে তল্লাশি অভিযানে যান। ভোলে ব্যোমের পর এবার বোলপুরে শিবশম্ভু রাইস মিলে হানা দিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গে রয়েছেন এফ সি আই আধিকারিকেরাও।
যদিও ভোলে ব্যোমের মতো এই রাইস মিলে ঢুকতে সমস্যা হয়নি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা আধিকারিকদের। সহজেই রাইস মিলের গেট খুলে গোয়েন্দাদের ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়। এই রাইস মিলের সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডলের ঠিক কী যোগ রয়েছে, এই রাইস মিলের উত্থান কী ভাবে, তার খোঁজেই এবার শিবশম্ভু রাইস মিলে হানা দিলেন গোয়েন্দারা।
সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, শিবশম্ভু রাইস মিলটি অনুব্রত মণ্ডলের আত্মীয় রাজা ঘোষের নামে রয়েছে। তবে রাজা ঘোষের সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডলের অংশীদারিত্ব রয়েছে বলে সূত্রের খবর। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, ২০১৪ সাল থেকে ২০১৭ সালের মধ্যেই এই রাইস মিলের উত্থান বলে জানা গিয়েছে। এই রাইস মিলে কোথা থেকে ধান ঢুকত, মাসে কী পরিমাণ ধান ঢুকত, এই রাইস মিলের মাধ্যমে অনুব্রতর টাকা ঘুরত কিনা সে বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা। তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, এই রাইস মিলটি দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। ফলে এই রাইস মিলটি অনুব্রত মণ্ডলের আত্মীয় রাজা ঘোষ কেন রেখেছিলেন, এর আড়ালে অন্য কোনও কাজ হত কিনা তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা
জানা গিয়েছে, এদিন সকালে কলকাতা থেকে সিবিআইয়ের এক আধিকারিক আসেন বোলপুরের পূর্বপল্লিতে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে। তিনি আসার পরই সিবিআই প্রতিনিধিদের একটি দল পৌঁছে যায় বাঁধগোড়ায় শিবশম্ভু রাইস মিলে। সিবিআই আধিকারিকদের সঙ্গে রয়েছেন এফ সি আই আধিকারিকেরাও। তবে তাঁরা রাইস মিলে আসতে গেটে তাঁদের আটকানো হয়নি। ডাকাডাকি করার সঙ্গে সঙ্গেই গেট খুলে দেওয়া হয়। তারপর গোয়েন্দারা রাইস মিলের ভিতরে ঢুকে সমস্ত নথি খতিয়ে দেখছেন তাঁরা। দীর্ঘদিন এই রাইস মিলটি বন্ধ ছিল। ফলে গোয়েন্দাদের সন্দেহ আরও জোরাল হচ্ছে।






