আন্তঃরাষ্ট্রীয় পাচারকারী বাংলাদেশী যুবককে গ্রেপ্তার করে বড়সড় সাফল্য পেল কাঁথি থানার পুলিশ। কাঁথি থানার আইসি প্রদীপ কুমার দান জানিয়েছেন মোবাইল চুরির ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে নন্দকুমার থানার শীতলপুর গ্রামের বাসিন্দা শেখ নুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে কয়েকটি চোরাই মোবাইল পাওয়া যায়। ধৃতকে কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলার পর পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে শেখ নুরুল স্বীকার করে চোরাই মোবাইল গুলো কাকে দেওয়া হয়। সেই সূত্র ধরে কলকাতার ওয়াটগঞ্জ থানার কবিতীর্থ সরণির ভাড়া বাড়ি থেকে আজিম শেখ কে গ্রেফতার করা হয়। আজিম স্বীকার করেছে তার বাড়ি বাংলাদেশের কতোয়ালি থানার বেলতলা গ্রামে। বাংলাদেশে তার একটি মোবাইল দোকান আছে। এখানকার চোরাই মোবাইল নিয়ে বাংলাদেশে পাচার করে। তার দোকানে এই মোবাইলগুলো বিক্রি হয়।
জিজ্ঞাসা বাদের মাধ্যমে জানা গেছে চিকিৎসা ভিসা নিয়ে এদেশে দীর্ঘদিন ধরে আছে। বুধবার কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। আইসি প্রদীপ কুমার দান জানিয়েছেন তদন্ত চলছে আর কোন রহস্য লুকিয়ে আছে কিনা জানার জন্য। কাঁথি মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দিবাকর দাস জানিয়েছেন এরা মোবাইল চুরি করে পাচার করে ওয়াটগঞ্জ থানার পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযান চালিয়ে আজিম শেখ কে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশি তদন্ত করছে এর পেছনে আর কেউ যুক্ত আছে কিনা। এর পেছনে বড় কোন চক্র কাজ করছে কিনা তাও দেখা হচ্ছে।






