প্রদীপ কুমার সিংহ
ছিনতাইয়ে বাধা রেপিডো বাইক চালককে চপারের কোপ, আটক 2 নাবালক। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে। রাত তখন দেড়টা, এক রেপিডো বাইক চালক বাড়ি ফিরছিল। গড়িয়া বারুইপুর রোডের মালঞ্চ থেকে মল্লিকপুরের রাস্তায় ঢুকেছিল সবে। সোনারপুর ও বারুইপুর থানার বর্ডারে সরকার মোড়ের কাছে অন্ধকার জায়গাতে হঠাৎ দুজন তার বাইকের সামনে এসে দাঁড়ায়। রেপিডো বাইক চালক গাড়ি স্লো করতেই দুজন তার গাড়ির হ্যান্ডেল ধরে নেয়। বাইক চালকের কাছে থাকা মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। রেপিডো চালক বাধা দিলে তখনই তার শরীরের একাধিক জায়গায় এলোপাথাড়ি চপার দিয়ে কোপাতে থাকে 2 ছিনতাইবাজ। তীব্র যন্ত্রণায় চিৎকার করতে থাকে ওই রেপিডো বাইক চালক।

ততক্ষণে মোবাইল ছিনিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে 2 ছিনতাইবাজ। বাইক চালকের চিৎকার করতে করতে ওই দুজনে পিছনে বাইক নিয়ে ধাওয়া করে। সেই সময় স্থানীয় কয়েকজন চিৎকার শুনে রাস্তায় বেরিয়ে এসে ওই দুজন ছিনতাইবাজকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। খবর দেওয়া হয় সোনারপুর থানার পুলিশকে। সোনারপুর থানার পুলিশ গুরুতর আহত রেপিডো বাইক চালক কে সুভাষগ্রাম গামীন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। পাশাপাশি স্থানীয়রা দুই ছিনতাইবাজ কে সোনারপুর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়। গুরুতর আহত রেপিডো বাইক চালকের নাম জানা যায় মোহাম্মদ মেহেবুব। বাড়ি বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভার মল্লিকপুরের ফরিদপুর এলাকায়। দুই ছিনতাই বাজকে পুলিশ জেরা করে তাজ্জব বনে যায়। কারণ ধৃত দুজনের বাড়ির মল্লিকপুর এলাকায় এবং দুজনেই নাবালক। ধৃত দুজনকে সঙ্গে নিয়ে সোনারপুর থানার পুলিশ ছিনতাই এর ঘটনায় ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্রটি ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরে রাস্তার পাশে একটি মাঠের ঝোঁপ থেকে উদ্ধার করে। ধৃত দুই নাবালকের একজনের বিরুদ্ধে এর আগেও মল্লিকপুর এলাকায় এক নাবালককে চপার দিয়ে কোপানোর অভিযোগ ছিল। ছিনতাই এর ঘটনায় দুই নাবালকের যুক্ত থাকার ঘটনায় রীতিমতো ধন্দ্বে পুলিশ মহল। পাশাপাশি এই ছিনতাইয়ের ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছে মালঞ্চ সরকার মোড়ের স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে গুরুতর আহত রেপিডো বাইক চালক। সোমবার ধৃত দুজনকে গড়িয়ার জুভেনাইল আদালতে তুলবে সোনারপুর থানার পুলিশ।





