পূর্ব মেদিনীপুর জেলা ভগবানপুর থানার মহম্মদপুর এলাকায় এক গৃহবধূকে খুনের অভিযোগের গ্রেফতার হলো স্বামী। গৃহবধুর অস্বাভাবিক মৃত্যুতে জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম শক্তিপদ মণ্ডল।ধৃতকে কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তদন্তের স্বার্থে ৬ দিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দেন।
গত ৯ফেব্রুয়ারি গৃহবধূ পল্লবী মণ্ডল(২০) এর ঝুলন্ত দেহ তার শ্বশুর বাড়িতে উদ্ধার হয়। তাঁকে ভগবানপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। ২০২৪সালে সৈকত ভালোবেসে পল্লবীকে বিয়ে করে। বিয়ের পর থেকে পারিবারিক নানা বিষয়ে অশান্তি হতো। এদিকে ঘটনার পর মৃতার বাবা ভগবানপুরের শ্যামচক গ্রামের বাসিন্দা প্রণব দাস থানায় অভিযোগ দায়ের করে। তিনি জানিয়েছেন বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই অতিরিক্ত পণের দাবি সহ নানা অজুহাতে পল্লবীর উপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালাত তার স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা। পল্লবী প্রতিবাদ করলে অত্যাচারের মাত্রা আরও বাড়ত। তারাই পরিকল্পনা করে মেয়েকে গলায় দড়ির ফাঁস দিয়ে খুন করেছে। গলায় দড়ির দাগ ছিল। তিনি স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে এফআইআর করেন।
পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে বধূহত্যার মামলা রুজু করে তদন্তে নামে। বুধবার অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, বাকি অভিযুক্তরা পলাতক। তাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ধৃত স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।





