কাঁথি ১ ব্লকের পিছাবনীর নবম শ্রেণীর ছাত্রের আত্মহত্যার কারণে ৩ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করলো কাঁথি থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে অপর এক অভিযুক্ত পলাতক। ধৃত রামনগর থানার আহাম্মদপুরের অনুপ মন্ডল, মানিকাবসান গ্রামের বাসিন্দা সুদীপ্ত পন্ডা, উত্তর শীতলা গ্রামের বাসিন্দা সুমিত কুমার শ্যামল কে বুধবার কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হয়। বিচার তাদের জামিনের আবেদন খারিজ করে পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।
সূত্রের খবর গত ২৪ জুলাই পিছাবনী হাই স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র সূর্য মান্না কে এক ছাত্রীকে ইভটিজিং করার অপবাদ এর অভিযোগে মারধর করা হয়। সূর্য এই বিষয়ে কিছু জানে না বললেও শুনিনি কেউ। তার বাবা সহ পরিবার সম্পর্কে কটুক্তি করে। এই অপমান ও লজ্জায় থাকতে না পেরে ২৫ জুলাই সকালে বাবা মা না থাকার কারণে ঘরেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। একটি সুইসাইড নোট লিখে রেখে আত্মঘাতী হয়। সে লিখেছে ওই মেয়েকে চেনে না এবং ওই মেয়ে সম্পর্কে কোন কিছু মন্তব্য করেনি। সে সম্পূর্ণ নির্দোষ। সেই নোটে লেখা ছিল অনুপ মন্ডল, টুম্পা মন্ডল, লালু শ্যামল, বুবু শ্যামল ও সুদীপ্ত পন্ডা তাকে হেনস্তা করে এবং মারধর করে। সেদিন তার কথা কেউ শোনেনি। এই লজ্জায় বাধ্য হয়ে আত্মঘাতী হয়েছে। তার বাবা কাঁথি থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তদন্তে নামে।
মঙ্গলবার অভিযান চালিয়ে তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। পুলিশ সূত্রে সূত্রে জানা গেছে অপর দুইঅভিযুক্ত পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য তল্লাশি চালাচ্ছে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আশীষ কুমার প্রামানিক জানিয়েছেন পড়াশোনায় মধ্য প্রকৃতির। কিন্তু তার সম্পর্কে অন্য কোনো রকম অভিযোগ ছিল না। বিদ্যালয় তার স্মরণ সভায় অন্যান্য শিক্ষকগণ এবং কয়েকজন ছাত্র এই ধরনেরই মন্তব্য প্রকাশ করেছেন। প্রশ্ন উঠেছে পরিকল্পিতভাবে সূর্যকে হেনস্থা করা হয়েছে





