ভারতবর্ষের ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন সাড়ম্বরে সারা দেশ জুড়ে পালিত হল শুক্রবার।দিল্লির লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন প্রধানমন্ত্রী।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও কলিকাতায় দিনটি উদযাপন করেছেন।গান্ধীজী, নেতাজী, ক্ষুদিরাম বসু,মাতঙ্গিনী হাজরা, বীরেন্দ্রনাথ শাসমল সহ বহু স্বাধীনতা সংগ্রামীর প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়।কিন্তু গ্রাম গ্রামান্তরের বহু স্বাধীনতা সংগ্রামীর নাম এক প্রকার অনুচ্চারিত থেকে যায়। এরকমই দুই শহীদ শ্যামাচরণ মাইতি ও কেদারনাথ মাইতি।ইতিহাস স্বীকৃত এই দুই বিপ্লবী ১৯৪২ সালে আগষ্ট আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। ঐ বছর ২৯শে সেপ্টেম্বর, থানা ভাঙার আন্দোলনে ছিলেন তাঁরা। অবিভক্ত ভগবানপুর থানা ভাঙা আন্দোলনে পশ্চিম বাহিনীতে ধীরেন্দ্রনাথ পাত্রের দলে ছিলেন ইনারা। মেদিনীপুরের থানা ভাঙা আন্দোলনে শহীদ হয়েছিলেন মাতঙ্গিনী হাজরা সহ বহু মানুষ। সবচেয়ে বেশি শহীদ হয়েছিল ভগবানপুরের থানা ভাঙার আন্দোলনে মোট ১৭ জন ছিলেন।তাঁদের মধ্যে,বাহাদুরপুর গ্রামেরই ২ জন।দেশপ্রাণ বীরেন্দ্রনাথ শাসমলের আদর্শে উদ্বুদ্ধ ছিলেন সমগ্র গ্রামের মানুষ জন। স্বাধীনতার অমৃতমহোৎসব পেরিয়ে ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসে আজও অনেকের কাছে এই ইতিহাস অজানা।নতুন প্রজন্মের কাছে গ্রামের এই দুই শহীদের বীরত্বের কথা তুলে ধরতে বাহাদুরপুর দেশপ্রাণ শিক্ষানিকেতনের পক্ষ থেকে প্রদক্ষেপ গ্রহন করা হয়।এই প্রথম স্কুল মোড়ে বটবৃক্ষের তলায় অস্থায়ী শহীদ বেদী তৈরি করে তাঁদের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করা হলো। বাহাদুরপুর দেশপ্রাণ শিক্ষানিকেতনের স্কুল মোড় থেকে শহীদ শ্যামাচরণ মাইতি ও কেদারনাথ মাইতির বাড়ির দিকে রাস্তার নামকরণ ” শ্যামাচরণ সরনী ” রাখার উদ্যোগ গ্রহণ করা হ





