কেকা মিত্র
রবিবার সন্ধায় নাগের বাজার দমদম টাউন হলে ( অজিতেশ মঞ্চে) অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো দীপ ক্লিনিক এবং সমস্ত স্বাস্থ্য কর্মীদের উদ্যোগে
একটি সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। অনুষ্ঠানের শুরুতে মালা ভৌমিক পরিবেশন করেন তিনটি রবীন্দ্র সঙ্গীত। তার কণ্ঠে
ভালো লাগে শুনতে তাই তোমার আনন্দ আমার পর, সখাতরে ওই কাঁদিছে সকলে এবং সব শেষে পুরানোসের দিনের কথা।

তাঁর সাথে পারকাশান ও কি বোর্ডে ছিলেন সুরজিৎ দাস ও শুভাশিস চ্যাটার্জী। এরপর সঞ্চারী মন্ডল দত্ত শোনালেন সলিল চৌধুরীর শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সলিল সঙ্গীত। তিনি তার সুন্দর গলায়
শোনালেন লোকগীতি পিন্দারে পলাশ বন এবং লালনগীতি সে কি আমার কবার কথা। চমৎকার কন্ঠে আবৃত্তি শোনালেন বাচিক শিল্পী সঞ্চালী
ঘোষাল। তিনি পরিবেশন করেন
শামসুর রহমানের কবিতা শ্লোগান এবং সলিল চৌধুরীর
শপথ। সব শেষে ছিলো মূল আকর্ষণ নাটক – পৃথিবীর পাঠশালা। পরিচালনায় ছিলেন অনুপম ব্রহ্ম। ৪৫ মিনিটের এই পৃথিবীর পাঠশালা নাটকে ভালো
মিউজিক করেছেন শুভাশিষ চ্যাটার্জী, এবং সুরজিত পাল। বাবলু মন্ডল এর মেক আপ মন্দ নয়। চমৎকার অভিনয় করেছেন
পণ্ডিত (অনুপম ব্রহ্ম ),
ডাক্তার ( ডাঃ অমিতাভ ভট্টাচার্য্য), আর্টিস্ট ( দীপন বোস), সনাতন (শুভাশিষ সামন্ত), তপসে (রাহুল রায়),
ইন্সপেক্টর (তথাগত সিনহা),
হরেন (চন্দন ব্যানার্জী),
দারোগা ( অঞ্জন মন্ডল),
দারোগা গিন্নী ( অপর্না মন্ডল),
প্রথম রোগী -প্রভাস রাই
দ্বিতীয় রোগী – চন্দ্রশেখর দে
সহযোগিতায় ছিলেন বিধান কুন্ডু, অরুন বর, শ্রাবনী মিত্র।

এই অনুষ্ঠানটির ভাবনা, পরিকল্পনা ও পরিচালনায় ছিলেন ডাক্তার অমিতাভ ভট্টাচার্য্য। পুরো অনুষ্ঠানটি সুচারু সঞ্চালনা ছিলেন সমাজসেবী ভাস্কর পাল।
সমগ্র সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি হল ভর্তি দর্শকদের মনোগ্রাহী হয়ে উঠেছিলো।





