ইংরেজি নববর্ষের প্রথম দিন থেকে পরিবেশ সচেতনতার অঙ্গ হিসেবে একদল স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের তৈরী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উজান ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট খেজুরীর অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী হিজিলী শরীফ সংলগ্ন স্থানে আগত পর্যটকদের মধ্যে দৈনন্দিন জীবনে প্লাস্টিক ও থার্মোকল ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক হিসেবে সচেতন করলো l

মানুষ যাতে শালপাতা এবং কাগজ ও চটের তৈরী প্রয়োজনীয় সামগ্রী ব্যবহার করে সেদিকটা তুলে ধরেন l সংগঠনের সদস্যদের সমীক্ষায় জনসাধারণের মধ্যে প্লাস্টিক কিংবা থার্মোকল ব্যবহারের কারণ হিসেবে দুটি দিক উঠে এসেছে তা হলো সচেতনতার অভাব এবং স্থানীয় বাজারে শালপাতা কিংবা কাগজ ও চটের দ্রব্যসামগ্রীর যোগান যৎসামান্য l সেজন্য ইচ্ছা থাকলেও সবসময় প্লাস্টিক কিংবা থার্মোকল ব্যবহার সম্ভব হয় না l

হাওড়া থেকে আগত এক পিকনিক প্রেমী শিক্ষক জয়দীপ ঘোষ ” বলেন প্লাস্টিক বর্জনের চেষ্টা করেছিলাম l এখানে বেশ কয়েকটা দোকানে পাতা খুঁজে ও পাইনি বাধ্য হয়ে থার্মোকলের থালা কিনলাম l “

এদিন উজানের কর্মসূচিতে অংশ নেন স্থানীয় বিট অফিসার সৌরভ দাস খেজুরীর এক স্কুল শিক্ষক জয়দেব মাইতি , কবি ভোলানাথ পাল এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিক সুমিত দাস l
উজানের এহেন উদ্যোগে বিশেষত শালপাতা বিলির বিষয়টি পর্যটকদের মধ্যে দাগ কাটে l তাঁরাও আগামীদিনে প্লাস্টিক বর্জন করবেন জানিয়েছেন l

উজানের সম্পাদক সুদীপ মন্ডল বলেন ” আমরা সারাবছরই বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠানে গিয়ে প্লাস্টিক বর্জনের আবেদন জানাই l হিজলীতে এই নিয়ে 4 বছর ধরে ইংরেজী নববর্ষে প্রথমদিন পিকনিকে আসা মানুষজনকে সচেতন করি এবছরও তাই করছি l তবে তুলনামূলক এবছর মানুষ বেশি সাড়া দিয়েছেন,সচেতন করার মাধ্যম হিসেবে শালপাতা বিলির পাশাপাশি বিভিন্ন বিনোদনমূলক খেলারও আয়োজন করা হয়েছিল l উদ্দেশ্য ছিল এই খেলায় এক জায়গায় মানুষকে জমায়েত করে খেলার ফাঁকে ফাঁকে প্লাস্টিকে ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করানো সেদিক থেকে আমরা সফল “






