পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর ১ ব্লকের মঙ্গলামাড়ো ঐকতান ক্লাবের উদ্যোগে এ বছর রজত জয়ন্তী বর্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মঙ্গলামাড়ো মেলা। গত ২৩ শে জানুয়ারি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে মেলার শুভ সূচনা হয়।আজ মংলামাড়ো মেলা কমিটির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী গণবিবাহ অনুষ্ঠান।

গণবিবাহের মঞ্চে অগ্নিকে সাক্ষী রেখে তিন জোড়া নবদম্পতি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। নব দম্পতিদের চার হাত এক করার দায়িত্ব পালন করে মঙ্গলামাড়ো ঐকতান ক্লাব পরিচালিত মঙ্গলামাড়ো মেলা কমিটি। মঙ্গলামাড়ো মেলা মানেই ঐতিহ্যবাহী গণবিবাহ—এই প্রথা বজায় রেখে এবছর পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার তিন জোড়া নবদম্পতির শুভ পরিণয় সম্পন্ন হয়।
নবদম্পতিরা হলেন সীমা বাস্কে ও বুধা হেমরম, প্রিয়াঙ্কা মাণ্ডি ও মেঘনাথ সরেন, সুনিতা রানী হাঁসদা ও বাপন বাস্কে।
গণবিবাহের মঞ্চে নবদম্পতিরা নতমস্তকে প্রণাম জানিয়ে জনতা জনার্দনের আশীর্বাদ গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নবদম্পতিদের আশীর্বাদ করেন পটাশপুর ১ ব্লকের বিডিও মহম্মদ করিমুল ইসলাম, পালপাড়া কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক তুষার চক্রবর্তী, মেলা কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুল আহাদ আলী, মেলা কমিটির সম্পাদক মুক্তি রঞ্জন বেরা, সভাপতি অভিজিৎ পড়িয়া সহ মেলা কমিটির অন্যান্য সদস্যরা।
মেলাকমিটির পক্ষ থেকে নব দম্পতিদের হাতে অনেক উপহার তুলে দেওেয়া হয়।
এদিন ক্লাবের চেয়ারম্যান আব্দুল আহাদ আলী বলেন, আমরা সারা বছর ধরে মানুষের সেবায় আমরা নিয়োজিত থাকি। গণবিবাহ থেকে শুরু করে রক্তদান শিবিরসহ নানা সমাজসেবামূলক কর্মসূচি পালন করে থাকি। অসহায় বাবা-মায়েরা যাতে তাঁদের কন্যার বিবাহ দিতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে চলেছি। আগামী দিনেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে। জনসাধারণের আশীর্বাদ ও সহযোগিতা ছাড়া আমাদের এই পথচলা সম্ভব হতো না। এলাকার সকল মানুষ যেভাবে পাশে থেকেছেন, তাঁদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।”





