Select Language

[gtranslate]
১৭ই চৈত্র, ১৪৩২ মঙ্গলবার ( ৩১শে মার্চ, ২০২৬ )

নিজের চামড়া কেটে জুতো বানিয়ে ঋণ শোধের দাবি বিরোধী দলনেতার

২০০৭ সালের ১০ নভেম্বর।নন্দীগ্রামের সোনাচূড়া থেকে মহেশপুর পর্যন্ত মিছিল বের করে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি।অভিযোগ মাঝপথেই হামলা চালায় সিপিএম আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। গুলিও চলে বলে অভিযোগ ওঠে।মৃত্যু হয় ২ জনের। পুলিশের খাতায় এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ ১২ জন। রাজ্য রাজনীতির ইতিহাসে যা আজও ওই ঘটনা পরিচিত অপারেশন সূর্যোদয় হিসেবে।

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পূর্ববর্তী সময়ে পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে এই দিনটি পালন করা হতো। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরেও তৃণমূল এবং বিজেপি আলাদা আলাদা ভাবে এই দিনটিকে পালন করে আসছে।

 

সোমবার অপারেশন সূর্যোদয়ের ১৮ বছর পূর্তিতে বেলা ১০ টায় নন্দীগ্রামের গোকুলনগর কর পল্লীর শহীদ বেদীতে উপস্থিত হন শুভেন্দু অধিকারী। শহীদ বেদীতে মাল্যদানের পর শুভেন্দু বলেন মুখ্যমন্ত্রী বহু প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বলেছিলেন শহীদ বেদী, বিদ্যালয় , আই টি আই কলেজ বানাবেন, তিনি বানিয়ে দেননি। প্রতিহিংসা বসত বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছে দেননি। শুভেন্দু অধিকারী আপনাদের ঋণ শোধ করবে।

নিজের চামড়া কেটে নন্দিগ্রামবাসীর পায়ের জুতো বানিয়ে দিলেও ঋণ শোধ হবেনা।সেই দিনে যখন গুলি চলে তখন পুলিশ লুকিয়ে ছিল,এখনো পুলিশ লুকিয়ে আছে,কোনো বদল হয়নি। যখন ভোট আসে তার আগে পরিযায়ী নেতারা আসে।একটু পরেই দেখবেন তৃণমূলের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন সভায় হাতে দামী ফোন নিয়ে,১০ টা আঙুলে ১৪ টা আংটি পরে এরা আসবেন।যে বছর ভোট থাকবে তার আগে আসবে।এআর যদি ২৬ শে হেরে যায়,তাহলে চিরতরে ঝাঁপ বন্ধ।নিখোঁজ যারা হয়েছিলেন ২০০৭ সালে তাদের ডেথ সার্টিফিকেট টাও মমতা ব্যানার্জি করে দেয়নি। যে কাজ মুখ্যমন্ত্রীর করার কথা ছিল সে কাজ করেছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

Related News

Also Read