জীবনাসান হল স্বাধীনতা সংগ্রামী অমর চন্দ্র জানার। ১০৫ বছরে অমর বাবু না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন সজ্ঞানে।পরাধীন ভারতে ব্রিটিশের বিরুদ্ধে লাগাতার লড়াই করেছেন দেশের স্বাধীনতার জন্য।ভগবানপুর থানা ভাঙা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে কোনও রকম জীবিত অবস্থায় ফিরলেও দীর্ঘদিন ছিলেন ফেরার। প্রায় দুদশক ফেরার থাকার পর,নিজের বাসভূমি বাহাদুরপুর গ্রামে ফিরেছিলেন স্বাধীনতালাভের পর।

সতীর্থ যতীন চন্দ্র দাস গুলি খেয়েছিলেন। তিনিও ১০৫ বছর বয়সে প্রয়াত হয়েছিলেন। অবশিষ্ট ছিলেন পূর্বতন ভগবানপুর থানা ও অধুনা ভূপতিনগর থানার বাহাদুরপুর গ্রামের অমর বাবু। নেননি স্বাধীনতা সংগ্রামী ভাতা।নিজে পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।পাননি সেরকম সরকারী সুযোগ সুবিধা। জীবনের শেষদিন পর্যন্ত চলাচল করা,কথা বলা,খবরের কাগজ পড়া সহ স্বাভাবিক ছিলেন। মুখের সামান্য ঘা সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে ডাক্তার দেখিয়েছিলেন গতকাল। ফেরার পর বিকেলে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন অনাড়ম্বর জীবনযাপনে বিশ্বাসী অমর চন্দ্র জানা।১০৫ বছর অতিক্রম করে,১০৬ বছর বয়সে সমাপ্ত হলো এক যুগের।
বাহাদুরপুর দেশপ্রাণ শিক্ষানিকেতনের পক্ষ থেকে ওনাকে বিশেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়েছিল প্লাটিনাম বর্ষে। আজও প্রয়াত অমর বাবুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে, পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে ছেন ও শুভানুধ্যায়। বাহাদুরপুর দেশপ্রাণ শিক্ষানিকেতন (উঃমাঃ) ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিতাই চরণ পাত্র তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।





