পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতনে জুন মালিয়ার সমর্থনে সভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী। এরজন্য বুধবারই খড়্গপুরে চলে এসেছেন তিনি। দাঁতনের সভা শেষ করেই তিনি কপ্টারে চেপে পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। মহিষাদলের সভাকে ঘিরে তাই চুড়ান্ত ব্যাস্ততা তৃনমূলীদের।
মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টার নামার জন্য মহিষাদল রাজ গ্রাউন্ডের উত্তর দিকে তৈরি হয়ে গিয়েছে অস্থায়ী হেলিপ্যাড গ্রাউন্ড। বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে সেদিক ঘিরে ফেলা হয়েছে।
দিন কয়েক আগে মহিষাদলে মহিলাদের নিয়ে জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী সহ তৃণমূলকে একহাত নিয়েছিলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। জেলায় তৃণমূলের জনপ্রিয়তা তলানিতে ঠেকে গিয়েছে বলেও দাবী করেছিলেন বিজেপি নেতা। সেই থেকেই আজকের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভায় কত পরিমান লোক জমায়েত হবেন সেই আলোচনাতেই সরগরম গোটা এলাকা।
তৃনমূলের দাবি ৫০ হাজার মানুষের জমায়েত হবে সভায়।মাঠের একেবারে দক্ষিণ দিকে তৈরি হয়েছে বিশালাকায় মঞ্চ। মঞ্চের সামনের দিকের অংশে বিশালাকায় একটি হ্যাঙার বানানো হয়েছে। তবে পাশেই ফাঁকা মাঠের ওপর বাঁশের আরও ব্যারিকেড বানানো হয়েছে। যেখানে রোদের মধ্যেই কর্মীদের দাঁড়াতে হবে। এই মাঠেই কপ্টার নামানোর জন্য অতিরিক্ত ছাউনি বানানো যাচ্ছে না বলে খবর।
গত কয়েকদিন ধরে শুভেন্দু অধিকারী যেভাবে মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়ে যাচ্ছেন তার বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী কি বার্তা দেন সেদিকেই সবার নজর থাকবে। এরই পাশাপাশি বুধবার নন্দীগ্রামে দেবাংশুকে ঘিরে কুৎসিত শ্লোগান দিয়েছে বিজেপি। তার বিরুদ্ধেও মুখ্যমন্ত্রী সোচ্চার থাকবেন বলেই মনে করা হচ্ছে।






