গ্রামীণ যাত্রা শিল্পের নক্ষত্র পতন ঘটলো। অসহায়তায় ভুগতে শুরু করলো স্থানীয় অ্যামেচার দল।
গত বুধবার রাতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন কাঁথি দেশপ্রান ব্লকের বামুনিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর ডাউকি গ্রামের বাসিন্দা নিরঞ্জন পাল। যদিও এলাকায় পরিচিত লালমোহন পাল নামে। পেশায় মাজিলাপুর বীরেন্দ্র বিদ্যাপীঠের শিক্ষা কর্মী হিসেবে কাজের পাশাপাশি শতাধিক যাত্রায় দক্ষতার সঙ্গে মঞ্চ কাঁপিয়ে অভিনয় করেছেন।
অর্ধশতাধিক যাত্রায় নির্দেশনার ভূমিকায় দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি” বাঁশের কেল্লা” নামে একটি যাত্রা রচনা করেছিলেন। এই যাত্রা কে নির্দেশনা ও অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের মুগ্ধ করেছিলেন। এ এভাবেই গ্রামীণ যাত্রাকে সমৃদ্ধ করেছিলেন। মুগ্ধ করেছিলেন দর্শক সমাজকে। যার অবদান আজও এলাকাবাসীর কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। রেখে গেছেন দুই পুত্র, পুত্রবধূ, দুই কন্যা, জামাতা নাতি নাতনি ও গুণমুগ্ধ মানুষজন। সরল সাদাসিধা জীবন যাপন করতেন।
তাঁর প্রয়ান সংবাদ পেয়ে তার বাড়িতে যান মাজলাপুর বীরেন্দ্র বিদ্যাপীঠের শিক্ষক সুব্রত রঞ্জন মাইতি, সৌরভ মন্ডল, শংকর বেরা, শক্তিপদ সিং, শিক্ষা কর্মী সনজিৎ শীট, খোকন বেরা, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী সহ অন্যান্য বহু মানুষ।সকলেই মরদেহ পুষ্পার্ঘ নিবেদন করে শেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার প্রস্তাব গ্রহণ করে বিদ্যালয় ছুটি ঘোষণা করা হয় বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আদিত্য গুড়িয়া। তিনি তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও জানিয়েছেন।





