বর্ষাকালীন সময়ে পতঙ্গ বাহিত বিভিন্ন রোগের পাদুর্ভাব অত্যাধিক হারেই বেড়ে যায়।বিশেষত মশা বাহিত রোগের পাদুরভাব বেড়ে যায়। এই মশাকে জৈবিক উপায়ে নিধনের জন্য জলাশয় নিম্নভূমি ও জল জমা স্থানে মশার লার্ভা নাশক গাপ্পি মাছ ছাড়ার ব্যবস্থা নিয়েছে নন্দীগ্রাম ২ ব্লক প্রশাসন।

ব্লকের যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক গোপীনাথ সরেন বলেন কোন কোন পুকুরে বা জলযুক্ত জায়গায় গাপ্পি মাছ ছাড়া হবে তা চিহ্নিত করা হয়েছে। নিয়মিত নজরদারির ফলে সমগ্র নন্দীগ্রাম-২ ব্লক এলাকা এখনো পর্যন্ত ডেঙ্গু মুক্ত।

১ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বিশেষ ক্যাম্পের ব্যবস্থা করা হয়েছে যার মাধ্যমে মানুষজনকে সচেতনতার পাশাপাশি এলাকায় স্বচ্ছতা অভিযানের মধ্য দিয়ে স্বচ্ছতার মান বাড়িয়ে তোলা হবে। যুগ্মসমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক বলেন ডেঙ্গুর প্রভাব মুক্ত বলে আত্মসন্তুষ্টির কোন কারণ নেই। ডেঙ্গু মুক্ত রাখার অভিযান নিরন্তন ভাাবে চালিয়ে যাওয়া হবে।




