রাজ্য সরকারের নিজস্ব তহবিলে শুরু হওয়া ‘বাংলার বাড়ি (গ্রামীণ)’ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের সূচনা হয়েছে জেলা জুড়ে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে পূর্ব মেদিনীপুরের ৫৫,৫২৪ জন উপভোক্তা ইতিমধ্যে ৬৬৬ কোটি ২৮ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার অনুদান পেয়েছেন। মঙ্গলবার দ্বিতীয় পর্যায়ের সূচনায় জেলায় নতুন করে ৮৮,৯০৫ জন উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির ৬০,০০০ টাকা করে সরাসরি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে পাকা বাড়ি তৈরির জন্য প্রত্যেক উপভোক্তা মোট ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা করে পাবেন।
চাষের ক্ষতি সামাল দিতে জেলার কৃষকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ‘বাংলার শস্য বিমা’র (খরিফ ২০২৫) চেক। এগরা-১ এবং রামনগর-১ ব্লকের ৬ জন কৃষককে প্রতীকী হিসেবে মোট ৬৫,১৩৪ টাকা দেওয়া হলেও, গোটা জেলায় এই মরশুমে ২৯৬৪ জন কৃষক মোট ৯২ লক্ষ টাকার বিমার টাকা পাচ্ছেন।
পাশাপাশি, কৃষি কাজে আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে ‘ফার্ম মেকানাইজেশন’ প্রকল্পের আওতায় এদিন কৃষকদের হাতে ট্রাক্টর-সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম তুলে দেওয়া হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে জেলার মোট ১৬৩২ জন কৃষক এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে চলেছেন।
জেলার ভূমিহীন মানুষদের জন্য এদিন পাট্টা বিলি কর্মসূচিও ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রশাসন সূত্রে খবর, এদিন জেলার ১২৬ জন ভূমিহীন কৃষকের হাতে কৃষি জমির পাট্টা এবং ১৭ জন ব্যক্তির হাতে বাস্তু পাট্টা তুলে দেওয়া হয়েছে।





