গত ৭ সেপ্টেম্বর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নন্দকুমার থানার পুলিশ অভিযান চালায় নন্দকুমার হাইরোডে।সন্দেহ ভাজন একজন বারবার এটিএমে ঢুকছিলো এবং এটিএমে আঠা লাগানোর চেষ্টা করছিল।পুলিশের নজরদারিতে এই কুকীর্তি নজরে আসে। পুলিশ হাতে নাতে ধরে ফেলে ওই দুষ্কৃতিকে। পুলিশ জিজ্ঞেস করে জানতে পেরেছে উত্তর প্রদেশের প্রতাপপুর এলাকার বাসিন্দা সালমান খান। বোম্বে থেকে ট্রেনিং নিয়েছে এটিএম জালিয়াতির।পূর্ব মেদিনীপুর জেলার হলদিয়ার ভবানীপুরে এক আত্মীয় বাড়িতে থাকতো। শনিবার নন্দকুমার থানায় সাংবাদিক বৈঠক করে জানান তমলুকের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফজল আবরার।তিনি জানিয়েছেন এই দুষ্কৃতকারী এটিএম এর টাকা বেরোনোর জায়গায় একটি আঠা লাগিয়ে দিত। তারফলে কিছু টাকা বেরিয়ে আসলেও কিছু টাকা থেকে যেত।

গ্রাহক এটিএম ছেড়ে বেরিয়ে আসার পরে ওই টাকাগুলো নিয়ে নিতো। এভাবে গ্রাহকরা ব্যাংক ম্যানেজার কে ফোন করে অভিযোগ জানাত। ব্যাংক ম্যানেজার পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানোর ফলে পুলিশ সতর্ক নজরদারি চালায়। ৭ সেপ্টেম্বর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে বেশ কিছু তথ্য উদ্ধার করা হয়েছে। স্বীকার করেছে এর আগে একাধিক এটিএমে জালিয়াতি করেছে। তবে পুলিশ খোঁজখবর নিচ্ছে এর পেছনে আর কোন বড় চক্র কাজ করছে কিনা। শুধু তাই নয় বোম্বেতে কার কাছে ট্রেনিং নিয়েছিল সেটাও তল্লাশি করে উদ্ধার করার চেষ্টা চলছে। জালিয়াতির টাকার পরিমাণ এখনো জানা যায়নি তদন্ত চালানো হচ্ছে।





