বিগত বাম আমলে হলদিয়া বন্দরের শ্রমিক নিয়োগ হয়েছিল কার্গোপুল এবং ক্যাজুয়াল লোডিং আলোডিং এর জন্য। হলদিয়া বন্দরের স্থায়ী শ্রমিকের সংখ্যা দিন দিন কমছে। হলদিয়া বন্দরে জাহাজ এবং র্যাঙ্ক লোডিং আনলোডিং বিভিন্ন কন্টাকটারের আন্ডার দিয়ে কাজ হচ্ছে।
হলদিয়া বন্দরের ভিতরে বাম আমলেই চুক্তি হয়েছিল বন্দরের ভিতরে কন্ট্রাক্টর পরিবর্তন হবে কিন্তু সেই সকল শ্রমিকেরাই এই কাজ করবে। দীর্ঘ কুড়ি বছর ধরে এ এম এন্টারপ্রাইজের আন্ডারে প্রায় ৮৫০ জন শ্রমিক কাজ করতেন। বিভিন্ন লোডিং আনলোডিং এবং আয়রনওর খালি করার জন্য।
গত কয়েকদিন আগেই বন্দরের শ্রমিকরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাদের কাজের সামগ্রী এবং বেতন চুক্তি সহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে। বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করতেই নড়েচড়ে বসে শাসকদলের শ্রমিক সংগঠন আই এন টি টি ইউ সি ।তাঁরা শ্রমিকদের নিয়ে তড়িঘড়ি করে সভা করেন ।
শাসকদলের শ্রমিক সংগঠনের নেতৃত্ব এক সপ্তাহ সময় চেয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীকালে ইউনিয়নের নেতৃত্বরা হাত তুলে নেন বলে অভিযোগ ।এর ফলে শ্রমিকরা দিশেহারা হয়ে পড়লেন। দীর্ঘদিন ধরে একটানা কুড়ি বছর ধরে একটি সংস্থায় কাজ করে আসছেন বিভিন্ন সময় দাবি-দাওয়া নিয়ে তারা আন্দোলন সংগ্রাম সংগঠিত করছে তাদের কোন কোন দাবি মেনে নিয়েছেন কিন্তু এবারে আর কোন দাবি তাদের সিদ্ধান্ত অনর ছিলেন । আর তাই জন্য কি বিকল্প শ্রমিকদের ১৩ দফা দাবি ইউনিয়ন এবং এ এম এন্টারপ্রাইজ এর কাছে তারা দাখিল করেছিলেন। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি তার সাথে সাথেই কাজের মান উন্নয়ন সবটা মিলেই তারা চেয়েছিলেন মাসিক বেতন চুক্তিতে থাকার জন্য সংস্থা ফাইভ স্টার গ্রুপ অফ কোম্পানি বন্দরের ভিতরে রেকলোডিং আনলোডিং কাজ পেয়েছেন।
এ এম এন্টারপ্রাইজের যে সকল শ্রমিকেরা কাজ করতেন স্বইচ্ছায় তারা ফাইভ স্টার গ্রুপ অফ কোম্পানিতে কাজ করার জন্য ইচ্ছাপত্রে স্বাক্ষর করলেন।।






