কালীপুজোর সময় আছড়ে পড়তে পারে বলে আগেই পূর্বাভাস দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর । এবার আবহাওয়ার মতি-গতিকে মাথায় রেখে বিশেষ পদক্ষেপ করল নবান্ন।
প্রসঙ্গত, কানাডার আবহাওয়াবিদ জানিয়েছিলেন যদি সুপার সাইক্লোন তৈরি হয় সেক্ষেত্রে তার ‘ল্যান্ডফল’-এর সময় ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটারের বেশি গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। যদিও এই ঝড়ের গতিবেগ নিয়ে এখনও আবহাওয়া দফতরের তরফে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। কিন্তু, কালীপুজো এবং ভাইফোঁটাতে রয়েছে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা।
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর,আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আন্দামান সাগরে তৈরি হতে চলেছে নিম্নচাপ। উত্তর আন্দামান সাগর এবং সংলগ্ন অঞ্চলের উপরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি ক্রমশ ঘনীভূত হয়ে ২১ তারিখ নাগাদ সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হবে। তার পর ২৪ তারিখের মধ্যে তা আরও ঘনীভূত হয়ে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপর ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা গণেশ কুমার দাস মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছিলেন, উত্তর আন্দামান সাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তা উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে। ২২ তারিখ সকাল নাগাদ তা নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। পরে ওই সিস্টেম সাইক্লোনে পরিণত হতে পারে। ।যদিও এই সাইক্লোন কতটা শক্তিশালী হবে সেই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত হাওয়া অফিসের তরফে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
ঘূর্ণিঝড়ের কারণে উপকূলে মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর হাওয়া অফিস। বলা হয়েছে, যাঁরা ইতিমধ্যে সমুদ্রে মাছ ধরতে চলে গিয়েছেন, তাঁদের অবশ্যই ২২ তারিখের মধ্যে ফিরতে হবে। ২৩ তারিখ থেকে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে হাওয়া অফিস।
সব মিলিয়ে কালী পুজা ও ভাইফোঁটার সময়ে দুর্যোগের ঘনঘটায় মন খারাপ বাঙ্গালীর।






