Select Language

[gtranslate]
২৮শে মাঘ, ১৪৩২ বুধবার ( ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ )

কাজ চাই দাবি উঠলো পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি পেনশনার্স সমিতির

 

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি পেনশনার্স সমিতির সম্মেলন

“লড়াই একমাত্র পথ ” সমস্ত অধিকার আদায় করার জন্য। আইন ,আদালত, সরকার গুরুত্ব না দিলে লড়াইয়ের ময়দানে নিজেদের অধিকার বুঝে নিতে হবে। আজ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি পেনশনার্স সমিতির কাঁথি মহকুমার ২২ তম চতুর্দশ দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে র মঞ্চ থেকে উঠে এলো।

সকালে কাঁথি শহরে কেজি বসু ভবন থেকে একটি বিশাল মিছিল কাঁথি শহর পরিক্রমা করে এসে শহীদ বেদীতে মাল্যদান এবং পতাকা উত্তোলন হয়। শহীদদের পুষ্প মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান পেনশনার্স সমিতি সভাপতি কল্যাণ সিনহা সহ অন্যান্য নেতৃত্ব গন। কল্যাণ সিনহা, সাহানা বেগম, অলক দাস কে নিয়ে সভাপতি মন্ডলী গঠিত হয়।১৬৫ জন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কো-অর্ডিনেশন কমিটি কাঁথি মহাকুমার সম্পাদক অনল দাস। তিনি সম্মেলনের সাফল্য কামনা করে বলেন ৮০ শতাংশ পেনশনভোগীর পুরো সংসার চলে পেনশনের উপর বাকি কুড়ি শতাংশের পরিবারের কেউ অন্য কোন চাকরি করেন বা কাজ করে। স্বল্প পেনশনের পয়সাতে বার্ধক্য জনিত রোগের ডাক্তার ওষুধ খরচ এবং সংসার পরিচালনা কঠিন। ওষুধের থেকে জিএসটি তুলে দিলেও ওষুধ কোম্পানিগুলো ওষুধের দাম দিন দিন বাড়িয়ে চলেছে। কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের কর্মী নিয়োগ বা কারখানা খোলার কোন আগ্রহ নেই ,ফলে দেশে এবং রাজ্যে ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব। উদারীকরণ নীতির ফলে বেকারের চাকরি নেই ।কেন্দ্রী এবং রাজ্য সরকার সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে সমাজকে ভেঙে টুকরো টুকরো করতে চায়। সামাজিক বিভাজনের মৌলবাদী ভাবনা কে প্রশ্রয় দিচ্ছে।

খসড়া প্রতিবেদন পেশ করেন বিদায়ী যুগ্ম সম্পাদক বিভূতিভূষণ পাত্র ।১৪ টি ইউনিট থেকে প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। জবাবী ভাষণ দেন বিদায়ী মহাকুমার সম্পাদক লক্ষীকান্ত জানা। পর্যালোচনামূলক বক্তব্য রাখেন রাজ্য সরকারি পেনশনার্স সমিতির জেলা সম্পাদক নিমাই আদক। সম্মেলনের শেষ পর্বে সভাপতি কল্যাণ সিনহা এবং সম্পাদক লক্ষীকান্ত জানা ও যুগ্ম সম্পাদক বিভূতিভূষণ পাত্র কে পুনরায় নির্বাচিত করে। শহ সভাপতি সোমনাথ মাইতি, গায়ত্রী সিংহ ,সহ-সম্পাদক দিলীপ জানা, দপ্তর সম্পাদক সুব্রত দাস, কোষাধ্যক্ষ মলয় দত্ত।

Related News

Also Read