প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলী দাবি করতেই পারেন তিনি যে যে রায় দিয়েছেন,সব আইন মেনে।তবে আমার প্রশ্ন তাহলে ওনার দেওয়া রায় গুলো কেন বারবার সুপ্রীম কোর্ট খারিজ করে দেয়? তমলুকে দাঁড়িয়ে এই প্রশ্ন করেছেন রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু।সরাসরি না বললেও ব্রাত্য বসু যে ঘুরিয়ে প্রাক্তন বিচারপতির রায় গুলো কাউকে কাউকে বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার ব্যাবস্থা করা হোত বলেছেন বলে রাজনৈতিক মহলের দাবি।
সম্প্রতি কলকাতা উচ্চ আদালতের রায়ে শিক্ষক ও অশিক্ষক মিলিয়ে প্রায় ২৬ হাজার জন চাকুরি হারিয়েছেন।এর মধ্যে বহু চাকুরী হারা নিজেদের যোগ্যতায় চাকরী পেয়ে ছিলেন।
সেই যোগ্য চাকুরীহারারা তাদের চাকুরী ফেরতের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন।এই দাবিতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুকের হাসপাতাল মোড়ে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ও অনশন আন্দোলন করছেন তাঁরা।সোমবার তমলুকে শিক্ষকদের অনশন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। শিক্ষকদের অনশন ভঙ্গ করিয়ে তমলুকের হাসপাতাল মোড় থেকে তমলুক রাজবাড়ী অব্ধি একটি প্রতিবাদ মিছিলে অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষা মন্ত্রী ছাড়াও এই মিছিলে তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের তৃনমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য,রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা হাজির ছিলেন
কলকাতা উচ্চ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আজ সুপ্রীম কোর্টে শুনানির তারিখ থাকলেও শুনানি হয়নি। শুনানির দিন পিছিয়ে যাওয়া নিয়ে তিনি বলেন হয়তো আগামীকাল শুনানি হতে পারে আমরা সেই দিকে তাকিয়ে থাকবো। আমরা অবশ্যই আশাবাদী।সেই সাথে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ব্রাত্য বসু প্রশ্ন করেছেন আইন মেনে রায় দিলে কেন সুপ্রীম কোর্ট বারবার অভিজিৎ গাঙ্গুলীর নির্দেশ খারিজ করে ?
সুপ্রীম কোর্টে আজ তারিখ থাকলেও শুনানি হয়নি। শুনানির দিন পিছিয়ে যাওয়া নিয়ে তিনি বলেন হয়তো আগামীকাল শুনানি হতে পারে আমরা সেই দিকে তাকিয়ে থাকবো। আমরা অবশ্যই আশাবাদী।সেই সাথে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ব্রাত্য বসু প্রশ্ন করেছেন আইন মেনে রায় দিলে কেন সুপ্রীম কোর্ট বারবার অভিজিৎ গাঙ্গুলীর নির্দেশ খারিজ করে ?






