গত ৮ সেপ্টেম্বর অস্বাভাবিক ভাবে মৃত্যু হয়েছিল বৃদ্ধার মৃত ফুলরানী মান্ডির (৬০)।এনার বাড়ি এগরা থানার পাঁচরোলে।
গত বৃহস্পতিবার সকালে বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই বৃদ্ধা। পরিবারের লোকেরা স্থানীয় গ্রামীণ চিকিৎসক স্নেহাশিস মহাপাত্রের কাছে নিয়ে যায়। তারপরে স্নেহাশিস বাবু তাঁকে এগরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। সেখানেই চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি মৃতার পরিবারের তরফে। পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রজু করেছে। সেদিন স্থানীয় সূত্রে খবর, যে পাঁচরোলের ফার্মাসিস্ট স্নেহাশিস মহাপাত্রের চিকিৎসার গাফিলতিতে রোগী মৃত্যু হয়েছিল বলে অভিযোগ।
কিন্তু ঘটনার এক সপ্তাহ পরে অর্থাৎ, বৃহস্পতিবার কুদিতে এগরা ১ বিডিও অফিসে সাংবাদিকদের মুখো মুখি হয়ে মৃত ফুলরানী মান্ডির ছেলে সনাতন মান্ডি দাবী করেন যে, পাঁচরোলের ফার্মাসিস্ট স্নেহাশিস মহাপাত্রের চিকিৎসার গাফিলতিতে রোগীমৃত্যুর অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যে ও ভিত্তিহীন।
স্নেহাশিস বাবুর বিরুদ্ধে আমরা কোনো নালিশ করিনি। কেউ কেউ স্নেহাশিস বাবুকে বদনাম করার চেষ্টা করছে।
পাঁচরোলের ফার্মাসিস্ট স্নেহাশিস মহাপাত্র জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে আমি কোনোভাবেই যুক্ত নই। এগরা হাসপাতালেই রোগী মৃত্যু হয়েছে।
এবিষয়ে পাঁচরোলের পঞ্চায়েত সদস্য তথা পাঁচরোল হাইস্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক শঙ্কর মিশ্র জানিয়েছেন, স্নেহাশিস মহাপাত্র গ্রামীণ চিকিৎসক। তিনি দিন রাত গ্রামীণ এলাকার আমজনতাকে প্রাথমিক চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান করেন। তিনি অতন্ত্য দক্ষতার সহিত মানুষের সেবা করেন।






