কেকা মিত্র
উন্মেষ কালিকাপুর দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩৫ বছরের পুরোনো নাট্য দল। তাঁদের আয়োজনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং এর কালিকাপুর চরক ডাঙ্গার মাঠে ১৩ থেকে ১৫ মার্চ তিনদিন ধরে অনুষ্ঠিত হলো উন্মেষ কালিকাপুর এর নাট্য উৎসব । এই বছর ৩৫ বছরে পদার্পণ করলো এই উন্মেষ কালিকাপুর নাট্যদল।
উৎসব উদ্বোধন করেন উন্মেষ কালিকাপুর নাট্য দলের সম্পাদক রমেশ মন্ডল, সভাপতি তুলসী ঘোষ, শিল্পকৃতি মহিষদল এর পরিচালক সুরিজিৎ সিনহা , বাউরিয়া চিত্বপট এর নির্দেশক নন্দিতা সাঁতরা। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অনিক কলকাতার পরিচালক অভিজিত সেনগুপ্ত। সকলেই তাদের বক্তব্যে উন্মেষ কালিকাপুর নাট্য দলের
৩৫ বছরের এই অবিরাম পথ চলাকে সাধুবাদ জানান। মঞ্চে অতিথিদের পুষ্পস্তবক, উত্তরীয় এবং স্মারক দিয়ে বরণ করে নেন উন্মেষ কালিকাপুর এর সদস্যরা। এবারের এই তিনদিনের উৎসবে মোট ৯ টি নাটক মঞ্চস্থ হয়।
প্রথমদিন অর্থাৎ ১৩ মার্চ শুক্রবার সন্ধ্যায় মঞ্চস্থ হয় হাওড়া চিত্তপট বাউড়িয়া নাট্যদলের নাটক পিঙ্কি, পূর্ব মেদিনীপুর শিল্পকৃতি নাট্যদলের নাটক অদেখা অন্ধকার এবং কলকাতার দিলীপ মুখার্জী স্মৃতি সংঘ র নাটক দরদামের গল্প।
১৪ মার্চ শনিবার সন্ধ্যায় পরিবেশিত হয় নদীয়া সূচনা , বগুলার নাটক কারিগরনামা, হুগলীর আত্মিক, ব্যান্ডেল এর নাটক যথার্থ চরিত্রহীন ও কলকাতা সরস্বতী নাট্যশালার নাটক নষ্ট তারার গল্প।
উৎসবের শেষ দিন ছিলো বিকেলে নাট্য সেমিনার। এই সেমিনারে বর্তমান সময়ের নাটক নিয়ে আলোকপাত করেন ব্যান্ডেল নান্দনিক এর নির্দেশক সমীরণ সমাদ্দার এবং সংস্থিতি চন্দন নগর নাট্যদলের পরিচালক অনুপম দত্ত। এইদিন সন্ধায় মঞ্চস্থ হয় হুগলী সংস্থিতি র নাটক দুঃশাসনীয় , হুগলী ব্যান্ডেল নান্দনিক এর নাটক বাবা আসবেন এবং এই নাট্য উৎসবের শেষ নাটক পরিবেশিত হয় দক্ষিণ ২৪ পরগনার উন্মেষ কালিকাপুরের
নাটক সলিউশন এক্স। এই নাট্য উৎসব দেখার জন্য নাট্য মোদি দর্শকদের ভিড় ছিলো চোখে পড়ার মতন।





