Select Language

[gtranslate]
২৮শে মাঘ, ১৪৩২ বুধবার ( ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ )

দিঘায় বেড়াতে গিয়ে যুবতীর রহস্যমৃত্যুতে গ্রেপ্তার তিন সঙ্গী

পর্যটন শহর নিউ দিঘার একটি বেসরকারি হোটেলে মহিলার অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তে নেমেছে দীঘা থানার পুলিশ। মৃত মহিলার পরিবারের দাবি খুন করা হয়েছে। দিঘায় বেড়াতে গিয়ে মৃত্যু হলো এক মহিলা পর্যটকের। সূত্রের খবর নিউ দিঘার একটি হোটেল থেকে বুধবার অচৈতন্য অবস্থায় একটি মহিলাকে উদ্ধার করে দীঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত পর্যটকের নাম ঝর্ণা পৈলান (৩৪)। হাসপাতলে সন্দেহ হয় কর্তব্যরত চিকিৎসক এবং কর্মীরা মহিলার তিন সঙ্গীকে আটক করে দীঘা থানায় খবর দেয়। দীঘা থানার পুলিশ গিয়ে ওই তিন সঙ্গীকে গ্রেফতার করে। জানা গেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা থেকে ওই মহিলা কয়েকজন সঙ্গীকে নিয়ে দিঘা বেড়াতে এসেছিলেন।

ধৃতরা তিন সঙ্গী হল হলেন মগরাহাট থানার সংগ্রামপুর এলাকার খানকার বাজার এর বাসিন্দা সোনা বিবি সইখ, ক্যানিং থানা এলাকার নিকারই ঘাটার বেলেখালি গ্রামের বাসিন্দা রহিমুদ্দিন গাজী এবং বারুইপুর থানা এলাকার পিয়ালী টাউন এর দক্ষিণ রানার বাসিন্দা মোহাম্মদ খইরুল মোল্লা।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝর্ণা দীর্ঘদিন ধরে স্বামী পরিত্যক্তা ছিলেন। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। কর্মসূত্রে মুম্বইয়ে আয়ার কাজ করতেন। কয়েকমাস ধরে তিনি বাপের বাড়িতেই ছিলেন। কয়েকদিন আগে অভিযুক্তদের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। এর পরে তাঁরা তাঁকে দিঘায় বেড়াতে নিয়ে আছে । পুলিশি জেলায় ধৃতদের দাবি, একসঙ্গে বসে মদ্যপান করার সময়ে অতিরিক্ত মদ্যপানের ফলেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এই ঘটনা ঘটে। তবে মৃতার পরিবারের অভিযোগ, এটি পরিকল্পিত খুন। মৃতার দাদা সৌমেন কুইল্লা বলেন, ‘আমার বোনকে পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে। আমরা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছি।’ মৃতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতেই তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনার তদন্তের জন্য ধৃতদের কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হয়। তাদের তদন্তের স্বার্থে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। বিচারক পুলিশের আবেদন মঞ্জুর করে ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।

Related News

Also Read