Select Language

[gtranslate]
১৬ই চৈত্র, ১৪৩২ সোমবার ( ৩০শে মার্চ, ২০২৬ )

শুভেন্দুর জেলায় লক্ষী ভান্ডারের উপভোক্তা বিজেপির পুরুষ নেতা !

মহিলাদের আর্থিক সমৃদ্ধির জন্যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চালু করেছেন “লক্ষীর ভান্ডার” প্রকল্প।আর সেই প্রকল্পের সুবিধা নিচ্ছে বিজেপির পুরুষ নেতা ! একা নন নিজের পরিচিত ১২ জন বিজেপির পুরুষ কর্মীকেও এই প্রকল্পের উপভোক্তা বানিয়ে মাসে মাসে ব্যাঙ্ক একাউন্টে লক্ষী ভান্ডারের টাকা পাওয়ার ব্যাবস্থা করে দিয়েছেন এই নেতা।চাঞ্চল্যকর ঘটনাটা পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ময়নার।বিষয়টি সামনে আসতেই আলোড়ন পড়েছে এলাকায়।

রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গাঙ্গুলী সহ বিজেপির রাজ্য-কেন্দ্রের ছোট বড় নেতা-নেত্রী বারবার “লক্ষীর ভান্ডার” নিয়ে নানান কটুক্তি করে চলেছেন।আর সেই দলের পুরুষ নেতা-কর্মীরাই দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে নিজেদের নাম উপভোক্তা তালিকায় ঢুকিয়ে দিয়ে ৫০০ টাকা নিচ্ছে প্রতি মাসে !

ময়না বিধানসভার হরকুলি বুথের বিজেপির সভাপতি অশোক দাস।এই বিজেপি নেতার ছেলে শ্রীকান্ত দাস একটি বেসরকারী সংস্থার অধীনে ভোটার কার্ড,আধার কার্ডের কাজ করে।বিজেপির সক্রিয় কর্মী শ্রীকান্ত দাস যে কোম্পানীতে কাজ করে তারা বিভিন্ন সরকারী দফতরে কাজ করে।সেই সুত্রে হুগলী,পূর্ব বর্ধমান,পশ্চিম বর্ধমান প্রভৃতি জেলায় যেতে হয় শ্রীকান্তকে।অভিযোগ এর সুযোগ নিয়েই হুগলী জেলার খানাকুল-২ ব্লকের বিডিওর লগ-ইন আইডি ব্যাবহার করে ময়নার দক্ষিন হরকুলি বুথের বাসিন্দা বিজেপি কর্মী অশোক দাস,মহিম দাস,মন্টু দাস,সুখেন মাইতি,অমরেশ মাইতি,রাহুল পাহাড়ী সহ ১২ জন পুরুষের ব্যাঙ্ক একাউন্ট জুড়ে দিয়েছিলো।

জানা গেছে খানাকুলের বাসিন্দা ১২ জন মহিলা লক্ষী ভান্ডারের টাকা না পেয়ে সেখানকার বিডিও অফিসে যোগাযোগ করেন।অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমে ঘটনাটা জানতে পারে।খানাকুল ২ বিডিও অফিসের তদন্তকারী অফিসারেরা দেখেন তাঁদের এলাকার বাসিন্দা মহিলাদের ব্যাঙ্ক একাউন্ট হিসাবে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ময়নার ১২ জন পুরুষের ব্যাঙ্ক একাউন্ট জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ পেয়ে ময়নার বিডিও সমীর পান তাঁর অফিসে শ্রীকান্ত দাসকে ডেকে পাঠান।সেখানে প্রশ্নের মুখে পড়ে ঘটনাটা স্বীকার করে মুচলেখা দিয়েছে বিজেপির সক্রিয় কর্মী শ্রীকান্ত।

Related News

Also Read