প্রদীপ কুমার সিংহ :- রাজ্যপাল প্যারালাল সংবিধান বানাতে পারেনা। সংবিধানে নিয়ম লোকসভা,বিধানসভা, পৌরসভা বা পঞ্চায়েত ইলেকশন ঘোষণা করার পরই তার নির্বাচনের কমিশনারের ওপর দায়িত্ব থাকে। বারুইপুরে এই কথাগুলো বললেন শিশু ও নারী কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী শশী পাঁজা।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আসন্ন ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বারুইপুর থানা অন্তগত বারুইপুর মাদারাট গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোট উপলক্ষে মাদারাট কালিতলায় এক নির্বাচন পথসভায় অংশগ্রহণ করেন শিশু ও কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী শশী পাঁজা। সেখানে সাংবাদিক প্রশ্ন করে ভাঙ্গর, ক্যানিং গোসাবা প্রভৃতি জায়গা ভোটের সন্ত্রাস চলছে বিরোধীরা এর জন্য শাসক দলকেই দায়ী করছে। এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন বাংলাকে বিরোধীরা কালিমা লিপ্ত করার জন্যই এই কাজ করছে। বাংলায় সন্ত্রাস হোক তিনি ও চান না। কোন রাজনৈতিক দলের কর্মী মারা যাক তিনিও চান না। কিন্তু বিরোধীরা ইচ্ছা করেই এই কাজ করছে। প্রশাসন এই ব্যাপারে যথেষ্ট কাজ করছে।
আইএসএফ দলের বিরাশিটা নমিনেশন পত্র হাইকোর্ট খারিজ করে দিয়েছে এমনকি সুপ্রিম কোর্টে খারিজ হয়েছে। তবে রাজনৈতিক সন্ত্রাস কখনোই কাম্য নয় ।যে কোন দলেরই কর্মীর মৃত্যু দুর্ভাগ্যজনক।পশ্চিম বাংলার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস পঞ্চায়েত ভোটে যেখানে সন্ত্রাস হচ্ছে সেখানেই তিনি ছুটে যাচ্ছেন এবং নিজেই তদন্ত করার জন্য পুলিশকে বলছেন। এই সম্বন্ধে শশী পাঁজা তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। প্যারালাল সংবিধান হতে পারেনা। নির্বাচন ঘোষণা হয়ে যাবার পর রাজ্যপালের কোন এক্তিয়ার নেই নির্বাচন সম্বন্ধে কথা বলার।
তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুব্রত বক্সী এই সম্বন্ধে রাজ্যপালকে একটি চিঠি দেন। রাজ্যপাল তার এক্তিয়ারয়ার বহির্ভূত কাজ করছেন। তিনি এই কাজ কখনো করতে পারেন না লোকসভা বিধানসভা পৌরসভা পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণা হয়ে যাবার পর পুরো সংবিধান রাজ্য কমিশনারাও হাতে থাকে তিনি ভোট পরিচালনা করেন কোথাও কোন গন্ডগোল হলে বা সন্ত্রাস হলে বা কোন পার্টি কর্মী মৃত্যু হলে তিনি ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকারী ।রাজ্যপালের এটা ঠিক হচ্ছে না।






