দুর্ঘটনার পর প্রায় ২৪ ঘন্টা কেটে গেছে তারপরেও দুর্ঘটনার সেই ভয়াবহতা,মৃত্যুর আতংক তাড়া করে বেড়াচ্ছে আতাবুল খানকে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রামনগর ২ ব্লকের দেপাল পঞ্চায়েতের বারাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দাআতাবুল খান।অভিশপ্ত করমন্ডল এক্সপ্রেসের যাত্রী ছিলো এই যুবক।
বলেন আচমকা প্রবল ঝাঁকুনিতে সব কেমন গন্ডগোল হয়ে যায়।সামান্যক্ষন কোন জ্ঞান ছিলো না।তারপর হুঁশ ফিরতেই চারপাশের চিত্র দেখে বুকটা কেঁপে ওঠে।আতংকের ছাপ এখনো এই যুবকের চোখে মুখে।জানিয়েছেন দুর্ঘটনায় মোবাইল-ব্যাগ সব হারিয়েছেন।কোন ভাবে প্রানে বেঁচে বাড়ি ফিরে আসতে পেরেছেন বলে আল্লাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন আতাবুল।

রামনগর ২ ব্লকের দেপাল পঞ্চায়েতের তরফ থেকে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে বালিসাই হাসপাতালে। আহত ব্যক্তিকে প্রশাসনের তরফ থেকে সব রকম সাহায্যের সহযোগিতার আশ্বাস দেন দেপাল অঞ্চলের উপ প্রধান তাপস কান্তি দত্ত
নিজে আহত হলেও তিনি অনেক মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছেন। আহত অবস্থায় চিৎকার করলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। গতরাতেই কোনক্রমে ফিরেছেন বাড়ি। আহত হয়েছেন আতাবুল। হাত ভেঙে গেছে তার।






