রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আর এস এস) প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ উপলক্ষে সোমবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দক্ষিণ কাঁথি বিধানসভার কাঁথি পৌরসভার অন্তর্গত পদ্ম পুখুরিয়ায় এলাকায় পাঁচ সহস্র কন্ঠে গীতাপাঠ ও সাধু সন্তদের নিয়ে বিশাল হিন্দু ধর্ম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। সোমবার ধর্মীয় উন্মাদনা ও শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে কয়েক হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সোমবার সকাল থেকেই কাঁথি নগর এলাকায় সাজ সাজ রব দেখা যায়। অনুষ্ঠানের সূচনায় সকালে শান্তি যজ্ঞের আয়োজন করা হয়। যজ্ঞের পূর্ণাহুতির পর সহস্র কন্ঠে গীতাপাঠ হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা ছিলেন হিরন্ময় গোস্বামী মহারাজ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বঙ্গীয় হিন্দু মহামঞ্চ এর অধ্যক্ষ স্বামী হিরন্ময় গোস্বামী মহারাজ, দীঘা সারদা রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী নিত্যবোধা নন্দজী মহারাজ , নন্দীগ্রাম বেদ মন্দিরের স্বামী সূর্যানন্দ সরস্বতী, শ্রীরামপুরের ভক্ত সেবাশ্রমের সনাতন দাস, জে এন ইউ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পার্থ বিশ্বাস, কাঁথির শ্রী শ্রী ওঙ্কারনাথ আশ্রমের দয়াল হরি সাউ, সংঘের বিভাগীয় কার্যবাহ পক্ষে গৌরাঙ্গ খাড়া,কাঁথি সাংগঠনিক জেলার কার্যবাহ পার্থ দাস, কার্যবাহ,
কাঁথি লোকসভার সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী, তমলুকের প্রাক্তন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী, উত্তর কাঁথির বিধায়ক সুমিতা সিনহা, কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি, অসীম মিশ্র, কাঁথি পৌরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশীল দাস ও ক্লাবের সদস্য, পদ্মপুখুরিয়া ক্লাব স্টুডেন্ট এর সকল সদস্য সদস্যা। মঞ্চ থেকে বক্তারা বর্তমান প্রেক্ষাপটে হিন্দু ধর্মের গুরুত্ব এবং সামাজিক সংহতি নিয়ে আলোচনা করেন।
সম্মেলন থেকে হিরন্ময় গোস্বামী মহারাজ হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেন। সনাতন ধর্মের আদর্শ ও মূল্যবোধকে টিকিয়ে রাখার আহ্বান জানান। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে হিন্দু সমাজকে সংঘবদ্ধ হওয়ার বার্তা দেন ।পরবর্তী প্রজন্মের কাছে ভারতীয় সংস্কৃতির সঠিক ইতিহাস পৌঁছে দেওয়া।”হিন্দু ধর্ম কেবল একটি ধর্ম নয়, এটি জীবন যাপনের একটি ধারা। সমাজকে শক্তিশালী করতে গেলে আমাদের সকলকে ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।” — সভায় বক্তারা এই সুরেই সরব হন।শান্তি ও শৃঙ্খলার সঙ্গেই অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।





