২৮ ডিসেম্বর, রবিবারের বিকেলে এক ‘ঐতিহাসিক মুহূর্তের’ স্বাক্ষী থাকলো দিঘার জগন্নাথ ধাম ।পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এই সৈকত শহরের জগন্নাথ ধামের কোটিতম দর্শনার্থী হিসাবে চিহ্নিত করা হয় এক খুদেকে। বালিকার নাম কাকলি জানা। কলকাতার টালিগঞ্জের মেয়েটি বাবা-মা আর ভাইয়ের সঙ্গে জগন্নাথ দর্শন গিয়েছিল রবিবার।
২০২৫ সালের ৩০ এপ্রিল, অক্ষয় তৃতীয়ার দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জগন্নাথ ধামের উদ্বোধন করেছিলেন। সেই নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি ।তারপরেও মাত্র আট মাসের মধ্যে বিপুল জনপ্রিয়তা দিঘাকে তীর্থক্ষেত্র হিসাবে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে। বিগত কয়েক মাসে সৈকত শহরের ভোলও বদলে গিয়েছে। এখন দিঘা শুধু সমুদ্র-বিলাসের জায়গা নয়, ভক্তি এবং সাংস্কৃতিক চর্চার মহামিলনস্থল।
রবি আর কাকলি জানাও তার বাবা-মায়কে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে বিশেষ দর্শনের বন্দোবস্ত করে দেওয়া হয়। তাকে মহাপ্রসাদ, পুষ্পমালা দেওয়া। এমন অভ্যর্থনায় উচ্ছ্বসিত কাকলির পরিবারের লোকজন। তাঁরা বলছেন, “আমরা নিজেদের ধন্য ও গর্বিত মনে করছি। দিঘার জগন্নাথধামে ঐতিহাসিক মুহূর্তের অংশ হতে পারা আজীবনের স্মৃতি। সত্যিই এটি জগন্নাথদেবের কৃপা বলেই আমাদের মনে হচ্ছে।”
পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক ইউনিস ঋষিন ইসমাই বলেন, ‘‘উদ্বোধনের দিন থেকেই দিঘার জগন্নাথ ধামকে কেন্দ্র করে মানুষের উন্মাদনা চোখে পড়ার মতো। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দিঘার জনপ্রিয়তা। জেলা প্রশাসন সর্বদা মন্দির এবং পর্যটনকেন্দ্রের পরিকাঠামোগত বিষয় নিয়ে সজাগ।’’
মন্দিরের প্রধান পুরোহিত তথা ট্রাস্টি রাধারমণ দাস মুখ্যমন্ত্রীর ‘দূরদর্শী চিন্তা’র প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘‘এই উদ্যোগ বাংলার আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যকে যেমন উচ্চতা দিয়েছে, তেমনই স্থানীয় মানুষের অন্নসংস্থানের নতুন পথ খুলে দিয়েছে।’’





