প্রদীপ কুমার সিংহ
১৯৯৩ সালে একুশে জুলাই যুব কংগ্রেসের সভাপতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নো আইডেন্টিটি কার্ড ,নো ভোট এই দাবিতে মহাকরণ অভিযান করেছিল। তখন পশ্চিমবাংলার জ্যোতি বসু সরকার সেই অভিযানে নিরীহ যুব কংগ্রেসের কর্মীদের নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল। তাতে করে ১৩ জন যুব কংগ্রেসের কর্মীর মৃত্যু বা শহীদ হয়েছিল। সেই ১৯৯৩ সালের পর থেকে তখনকার যুব কংগ্রেসের সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্যোগে ধর্মতলায় শহীদ দিবস পালন হতো। ১৯৯৮ সালের পর থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের দল গঠন করার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই দিনটিতে আমরা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের নামে এই কর্মসূচি করে।

সোমবার একুশে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে বারুইপুরের তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী ও সাধারণ মানুষ বিভিন্ন গাড়িতে ধর্মতলা দিকে রওনা হয়।
বারুইপুর পশ্চিম তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি গৌতম দাস বলেন বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভার ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রায় 200 থেকে ২৫০ গাড়ি ধর্মতলার দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের নিয়ে যায়। এই গাড়িগুলোতে প্রায় ২০ থেকে হাজার কর্মী ধর্মতলার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। বারইপুর পৌরসভার 12 নম্বর ওয়ার্ডের সোনার তরী কমপ্লেক্সের সামনে থেকে প্রায় ১৪-১৫টি বাস ছাড়ে। বারইপুর সূর্যসেন কলোনি কাছ থেকে প্রায় ১৫-১৬ টি বাস ছাড়ে। বারুইপুর পৌরসভা তিন নম্বর এক নম্বর ১৭ নম্বর ১৬ নম্বর সহ প্রত্যেক ওয়ার্ড থেকেই দুটো তিনটে করে বাস শহীদ দিবস উপলক্ষে ধর্মতলার দিকে রওনা হয়। সেই বাসগুলির মধ্যে এক মহিলা কর্মীকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন এই দিনটিতে আমরা প্রত্যেক বারেই ধর্মতলায় শহীদ দিবস পালন করতে যাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডাকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের দলের সুপ্রিমো আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ থেকে আগামী দিনে পশ্চিমবাংলা কেমন উন্নয়ন হবে ও 2026 এ বিধানসভা নির্বাচনে দল কি করবে তার বার্তা শুনতে চাই। এই দিনটি আনন্দ করার দিন নয় এটি একটি দুঃখের দিন প্রত্যেক বছর একুশে জুলাই ধর্মতলায় শহীদ দিবস পালন করে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে।

বারুইপুর পৌরসভা এক নম্বর ওয়ার্ডের পৌরপিতা স্বপন নস্কর বলেন পশ্চিমবাংলা ছাড়া ভারতবর্ষের বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে শ্রমিক বাঙ্গালীদের ওপর যে অত্যাচার চালাচ্ছে তার কেমন করে প্রতিকার করা যায় সেই বার্তায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একুশে জুলাই শহীদ দিবসের মঞ্চ থেকেই দেবে। আমরা বাঙালি আমরা সব ধর্মের হিন্দু, মুসলিম, খৃষ্টান ও জৈন সহ বিভিন্ন জাতি মানুষকে নিয়ে চলি।
পাশাপাশি বারুইপুর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বারুইপুর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ এবং বারুইপুর স্টেশন এলাকায় মহিলাদের উইনারস টিম মানুষের যাতে অসুবিধা না হয় তার জন্য তারা কর্তব্যরত ছিল।





