ইন্দ্রজিৎ আইচ:-সম্প্রতি রবীন্দ্র -নজরুল জয়ন্তী উদযাপন হলো প্রম্পটার এর কলাকেন্দ্র ভবনে।আয়োজনে ছিলো চন্ডীতলা প্রম্পটার। নাচ, গান গল্প ,আবৃত্তি ও নাটক প্রর্দশনের মধ্যে দিয়ে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করলো।
“এজীবন পূর্ন করো” উদ্বোধনী সঙ্গীতে প্রম্পটারের শিল্পীদের উদাত্ত কন্ঠ হৃদয়কে মথিত করে।
এরপর এলাকার একনিষ্ঠ সমাজসেবক তথা জেলাপরিষধের সদস্য সুবীর মুখার্জী তাঁর মূল্যবান বক্তব্যে বলেন(
চন্ডীতলা প্রম্পটার এলাকার একটি সাংস্কৃতিক চর্চার ইনস্টিটিউশন।ধারাবাহিক ভাবে কাজ করে চলেছে।রবীন্দ্রনাথের জীবনী নিয়ে চর্চা করা দরকার।বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলামের জীবনী নিয়ে চর্চা করতে হবে।ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার কাজে লাগবে।নাটকের মধ্যে যে মূল্যবান সম্পদ আছে তা যদি অর্জন করা যায় তাহলে আজকের অভিভাবকদের সাইকিয়াট্রিস্ট দের কাছে ছেলেদের নিয়ে যেতে হবে না।প্রম্পটার আরো এগিয়ে চলুক।প্রদীপ রায় দীর্ঘ দিন ধরে ব্রতী আছে। আমি শ্রদ্ধা করি।”
এর পর প্রিয়াঙ্কা ঘোষের পরিচালনায় রবীন্দ্র নৃত্য পরিবেশিত হয়। দলের শিল্পীরা অংশগ্রহণ করে।
ধ্বনিলো আহ্বান নৃত্য পরিবেশন করে নিশিকা সামন্ত। অতিথি শিল্পী সাথী বোস তাঁর মায়াময় সুরেলা কন্ঠে দুটি রবীন্দ্র সঙ্গীত ও একটি নজরুল গীতি পরিবেশন করে দর্শকদের আপ্লুত করে।
এছাড়া দলের সবাই গান নাচ কবিতা পাঠে অংশ নেয়।
তবে বিশেষ আকর্ষণ ছিল দুটি নাটক। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সূক্ষ বিচার।
অভিনয়ে অর্নব পালুই, নীলাদ্রি রায়, সত্যম ঘোষ ও সম্প্রীতা চক্রবর্তী। চমৎকার টানটান অভিনয়ে দর্শক আপ্লুত। মঞ্চ চঞ্চল আচার্য্য।আবহ অয়ন রায়।
এছাড়াও পরিবেশিত হলো
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মুসুলমানীর গল্প অবলম্বনে “মেহেরজান” শ্রুতি নাটক।নাট্যরূপ অরূপ চৌধুরী।নির্দেশনা প্রদীপ রায়।আবহ অয়ন রায়।অভিনয়ে ;- পূর্ণিমা মুখার্জী, তুহিনা চৌধুরী, তমসা ঘোষ, রূপসা ঘোষ,স্নিগ্ধা নাথ, তোতন চৌধুরী, অরূপ চৌধুরী, অনিমেষ পাঁজা,কৌশিক মাল, সুরজিৎ কোলে ও প্রদীপ রায়।






