আড়াইশো বছরের বেশি প্রাচীন মহিষাদলের রথ। এক সময়ে এই কাঠের রথের চুড়া ছিলো ১৭, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চূড়ার সংখ্যা কমেছে। এখন ১৩ টি চূড়া মহিষাদল রথের। চাকার সংখ্যা ৩৪টি। রথের সেই ৩৪ টি কাঠের চাকাকেই পঞ্চ গব্য দিয়ে পুজো করা হয়। যাতে এঁটেল মাটিতে রথের চাকা আটকে না যায়, সেদিকে তাকিয়েই রথ টানার সময় এই স্নান যাত্রা চলে বলে ইতিহাসবিদরা জানিয়েছেন।
মহিষাদলের রথের অধিষ্ঠিত দেবতা গোপালজিউ সাথে যান জগন্নাথ।

পুরি মাহেশের পরে স্থান রয়েছে মহিষাদলের প্রাচীন রথের। সেই রথ উৎসবকে ঘিরে উন্মাদনা শুরু হয়েছে মহিষাদলবাসির মধ্যে। ।দেশ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মতো মহিষাদলের রথের রশিতে টান।রথকে কেন্দ্র করে রথ উৎসব যাতে সুন্দর ভাবে পরিচালিত হয় তার জন্য মহিষাদল রাজ পরিবার,মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতি ও মহিষাদল রথ পরিচালন কমিটি যৌথ তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রথ মেরামতির পাশাপাশি মহিষাদল রাজবাড়ির ছোলাবাড়ির মাঠে রথের মেলা বসেছে ।






