প্রদীপ কুমার সিংহ
বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে প্রতিদিন আউটডোরে ২০০০ থেকে ২২০০ রুগী চিকিৎসা করানো জন্য আসে বহু দূর দূর থেকে। এইসব রোগীরা সকালে ছটা সাতটার সময় বাড়ি থেকে বেরোয় বাড়িতে পৌঁছাতে বিকেল হয়ে যায়। তাদের খাবার বিভিন্ন হোটেলে বেশি পয়সা দিয়ে খেতে হয়। সেই কথা মাথায় রেখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্যোগে মা প্রকল্প বারুইপুর পৌরসভার পরিচালনায় রবিবার দুপুর

বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে মা ক্যান্টিনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। বারুইপুর পৌরসভার সামনে ইতিমধ্যেই একটি মা ক্যান্টিন চালু রয়েছে। এবার বারুইপুরে দ্বিতীয় মা ক্যান্টিনের সূচনা হলো হাসপাতাল চত্বরে।
বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালের পিছনে রাত্রি নিবাস ভবনে আপাতত এই মা ক্যান্টিন চালু করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রতিদিন প্রায় ২০০ জন মানুষের জন্য পাঁচ টাকায় ডিম-ভাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে চাহিদা অনুযায়ী খাবারের পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে বলে জানানো হয়েছে।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, আগামী দিনে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল ভবনের স্থায়ী জায়গায় মা ক্যান্টিন স্থানান্তরিত করা হবে। এর জন্য ৪৫ লক্ষ টাকা অনুমোদন হয়েছে। আপাতত ছয় মাসের জন্য বর্তমান জায়গাতেই এই ক্যান্টিন চলবে।
দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রোগীরা বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি হতে কিংবা সকালবেলা আউটডোরে চিকিৎসার জন্য আসেন। তাঁদের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে এই মা ক্যান্টিন প্রকল্প চালু করা হয়েছে।
এই মা ক্যান্টিন পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে বারুইপুর পৌরসভা। পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের মোট ছয়জন কর্মী এখানে কাজ করবেন। উদ্বোধনের পর বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা রোগী ও তাঁদের পরিজনেরা পাঁচ টাকায় ডিম-ভাত পেয়ে খুশি ও সন্তোষ প্রকাশ করেন।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বারুইপুর পৌরসভার পৌরপিতা শক্তি রায় চৌধুরী উপ পৌর পিতা গৌতম দাস দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মৎস্য ও প্রাণী দপ্তরের কর্মদক্ষ জয়ন্ত ভদ্র সহ বারুইপুর পৌরসভার একাধিক পৌর পিতা পৌর মাতা গন ও সাধারণ মানুষ।





