নাবালককে নিয়ে মধুচন্দ্রিমার উদ্দেশ্যে দীঘা পাড়ি দিয়েছিল এক গৃহবধূর। বেশ কয়েকদিন দীঘার একটি হোটেলে নবম শ্রেণীর শিশুর সঙ্গে মধুচন্দ্রিমার পর শূন্য হয়ে যায় অর্থ ভান্ডার। তখনই শুরু হয় বিপত্তি। হোটেলের ভাড়া মেটানো টাকা না থাকায় ওই নাবালককে হোটেলের বয়ের কাজ করতে বাধ্য করায় গৃহবধূ। নিরুপায় হয়ে শিশু হোটেলের কাজ করে। এই কাজে অতিষ্ঠ হয়ে উঠলে নবম শ্রেণীর পড়ুয়া নাবালক পরিবারের দ্বারস্থ হয়। নাবালকের বাবা জানিয়েছে দিন দশেক আগে বাড়ি থেকে বেরিয়ে ছিল বন্ধুর বাড়ি যাবি বলে। সেই থেকে তার বন্ধ হয়ে যায় ফোন। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় বাঁকুড়ার ইনন্দাস থানায় অভিযোগ দায়ের করে। অবশেষে শিশু পুত্রের ফোন আসে বাড়িতে।
জানায় এক গৃহবধুর সঙ্গে দীঘার হোটেলে আছি। কিন্তু ভাড়া মেটানোর মত টাকা পয়সা নেই। যে কারণে বিপদের মধ্যে রয়েছে সে। শিশুর বাবা অনলাইনে হোটেলের টাকা মিটিয়ে দেন। ফিরে আসার কথা বলে শিশু পুত্রকে। গৃহবধুর সঙ্গে ওই শিশু ফিরলে গৃহবধূকে শিশু অপহরণের দায় পুলিশ গ্রেফতার করে। শিশুকে তার পরিবারের হাতে তুলে দেয় পুলিশ। ধৃত গৃহবধূকে আদালতে তোলা হয় । আদালতের বিচারক গৃহবধূকে ১৪ দিনের জেল হাজতের নির্দেশ দেন।এই ঘটনায় গৃহবধুর পরিবার এবং শিশুর পরিবারে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।






