Select Language

[gtranslate]
২৮শে মাঘ, ১৪৩২ বুধবার ( ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ )

রামনগরে তৃণমূলে যোগ দিলেন বিজেপি নেতা

সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বাংলায় রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনা আর বিজেপির ‘কুৎসা ও অপপ্রচারে’র পাল্টা জবাব দিতে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ কর্মসূচি। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো— গত ১৫ বছরে মা-মাটি-মানুষের সরকারের গৌরবময় উন্নয়নের খতিয়ান সাধারণ মানুষের দুয়ারে পৌঁছে দেওয়া এবং তাঁদের অভাব-অভিযোগ শোনা। নেত্রীর সেই নির্দেশ মেনেই রামনগর বিধানসভা এলাকায় এই কর্মসূচি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। আর এই কর্মসূচির মাঝেই বড়সড় ভাঙন ধরল বিজেপি শিবিরে। রামনগরে পদ্ম শিবিরে ভাঙন হল রামনগর ২ ব্লকের বালিসাই অঞ্চলের তলকাঁটালিয়ায়। এই এলাকায় ২৩৪ নম্বর বুথের বিজেপি সহ-সভাপতি প্রীতম মাইতি নিজের দলবল নিয়ে বিজেপি ত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। এদিন তাঁদের হাতে তৃণমূলের দলীয় পতাকা তুলে দেন ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ কর্মসূচির টিম লিডার তথা রামনগর ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিতাই চরণ সার।

তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর প্রীতম মাইতি বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন:”বিজেপি মানুষের জন্য কোনো কাজ করে না। তারা শুধু ধর্মের রাজনীতি করে। অন্যদিকে বাংলার মানবিক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করছেন, তাতে অনুপ্রাণিত হয়েই আমি আজ তৃণমূলে সামিল হলাম। রাজ্য সরকারের প্রায় ৭০টি জনকল্যাণমুখী প্রকল্পের সুবিধা আজ বাংলার ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে।” তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাকে ভাতে মারার চেষ্টা করলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার দমে যায়নি। দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তাকে পাথেয় করে কর্মীরা ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, “যতই করো হামলা, জিতবে এবার বাংলা”। মা-মাটি-মানুষের সরকার আগামী নির্বাচনে ২৫০-এর বেশি আসন নিয়ে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরবে বলে আত্মবিশ্বাসী স্থানীয় নেতৃত্ব।

রামনগরের এই যোগদান মেলা আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে আরও শক্তিশালী ভিতের ওপর দাঁড় করালো বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি এতে কোন ক্ষতি হবে না। আগামী ২৬ শের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসছে।

Related News

Also Read