Select Language

[gtranslate]
১৬ই চৈত্র, ১৪৩২ সোমবার ( ৩০শে মার্চ, ২০২৬ )

দক্ষিন দিনাজপুরের সাত জন পর্যটকের খোঁজ নেই

প্রবল আতংকে কাটাচ্ছেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট ব্লকের পাগলিগঞ্জ ও খাসপুর এলাকার কয়েকটি পরিবারের সদস্যরা।তাঁরা আতংকিত কারন তাঁদের পরিবারের সাত জন সদস্য অমরনাথ যাত্রায় গিয়ে আটকে পড়েছেন। অমরনাথে দুর্যোগের ঘটনা সামনে আসতেই উদ্বিগ্ন পরিবার পরিজন। শুক্রবার থেকে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত অমরনাথ যাত্রায় যাওয়া সাতজনের পরিবার তাদের সঙ্গে সেভাবে যোগাযোগ করতে পারেননি। কারো ফোনেই ফোন লাগছে না। আর ফোন লাগলেও কথা শোনা যাচ্ছে না। যার ফলে উদ্বেগ আরো বাড়ছে। বর্তমানে তারা কি অবস্থায় রয়েছে তা জানা নেই পরিবারের।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবশ্য তথ্য জোগাড় করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। কতজন জেলা থেকে অমরনাথ যাত্রায় গেছিল। এবং তারা কি অবস্থায় রয়েছে তা জানতে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে বলে জানান জেলা শাসক বিজিন কৃষ্ণা।



এদিকে শনিবার সন্ধ্যায় বালুরঘাটের খাসপুর এলাকার পুষ্পজিৎ চক্রবর্তীর সঙ্গে তার পরিবারের শেষ যোগাযোগ হয়। কথা হয় শুধু মাত্র তারা ফিরছেন। তারপর থেকে আর সেভাবে যোগাযোগ হয়নি। বর্তমান কি অবস্থায় রয়েছে তারা তা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছে পরিবার। এদিকে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের কাছেও এখনো সেভাবে কোন তথ্য নেই, যে জেলার কত জন অমরনাথ যাত্রায় গেছিল এবং তারা কি অবস্থায় রয়েছে।

জানা গেছে, গত ৫ই জুলাই বালুরঘাটের পাগলিগঞ্জ এলাকার ৬ জন এবং খাসপুরের একজন মিলে মোট ৭ জন বন্ধু মিলে অমরনাথ যাত্রার জন্য বাড়ি থেকে রওনা দেয়। এর মধ্যে খাসপুরে পুষ্পজিৎ চক্রবর্তী ছাড়াও পাগলিগঞ্জের রয়েছেন মুকুল সরকার, সুরঞ্জন দে দাস, তোতন হালদার, শুভ্রনীল মুন্সি, তাপস ঘোষ ও রজত সরকার। এর সকলেই বন্ধু। ৫ তারিখ রাতে বাড়ি থেকে তারা বাসে করে শিলিগুড়িতে যায়। এরপর বাগডোগরা থেকে ৬ জুলাই থেকে প্লেন করে পৌঁছায় শ্রীনগর। সেখান থেকে গতকাল মন্দির দর্শনের জন্য রওনা হয়। সেই সময়ই মেঘ ভাঙা বৃষ্টি নেমে আসে। এদিকে গতকাল মন্দির দর্শনের আগে কথা হয় এই সাতজনের তাদের পরিবারের সঙ্গে৷ তারপর থেকেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। ঠিক এমন সময় খবরে আসে অমরনাথ যাত্রায় বহু পর্যটক মারা গেছে। এবং বহুজন নিখোঁজ। বিষয়টি জানার পরই পরিবারের লোকেরা খোঁজ খবর নিতে শুরু করে৷ কিন্তু আর যোগাযোগ হয়নি৷ এরপর থেকেই বাড়ে উৎকন্ঠা

Related News

Also Read