Select Language

[gtranslate]
২৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ রবিবার ( ১৪ই ডিসেম্বর, ২০২৫ )

দিঘায় ঢুকছেনা বাস,হেঁটেই যেতে হতে পারে হোটেলে !!

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সৈকত শহর
দিঘায় আগামী ৩০ এপ্রিল জগন্নাথ মন্দিরের প্রতিষ্ঠা হবে। অক্ষয় তৃতীয়ার সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মন্দিরের শেষ মুহুর্তের কাজ চলছে। সেই সাথে প্রস্তাবিত জগন্নাথ মন্দিরের সামনে ১১৬ বি জাতীয় সড়কের উপরে গড়ে উঠছে “চৈতন্যদ্বার”।

জাতীয় সড়কের উপর “চৈতন্যদ্বার” নির্মান কাজের জন্য গত ২৪ মার্চ থেকে আগামী ২০ দিন দিঘায় জাতীয় সড়ক দিয়ে যান চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশিকা জারি করেছে জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজি। জাতীয় সড়কের উপর গেট নির্মানের কারনে সমস্ত পর্যটক পুরানো দিঘার হোটেলে যাবেন এখন তাঁদের দিঘা গেটের কাছে গাড়ি থেকে নামতে হচ্ছে । এছাড়া যারা নতুন দিঘা বা তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় যাবেন তাদের দিঘা বাইপাস ধরে যেতে হচ্ছে।

জানা গেছে পুরানো দিঘায় যানবাহন ঢুকতে না দেওয়ায় স্থানীয় মানুষ, ব্যবসায়ী ও হোটেল ব্যবসায়ীরা ভীষণ সমস্যায় পড়েছেন। পুলিশ প্রশাসন যাতে গাড়ি গুলিকে পুরানো দিঘার পার্কিং পয়েন্ট পর্যন্ত আসতে দেয় তার জন্য প্রশাসনের কাছে আবেদন করছেন এলাকার মানুষ, ব্যবসায়ী ও হোটেলিয়ার্স এসোশিয়েশনের সদস্যেরা।

দিঘা- শংকরপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন যুগ্ম সম্পাদক সুশান্ত পাত্র জানান,দিঘায় জগন্নাথ মন্দিরের কাছে গেট নির্মানের জন্য সমস্ত যানবাহন দিঘা গেট থেকে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। পুরানো দিঘায় ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। ফলে পুরানো দিঘা কিংবা তার পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দা থেকে ব্যবসায়ী ও হোটেল কর্তৃপক্ষ বহু সমস্যায় পড়েছেন। সুশান্ত পাত্র জানিয়েছেন আমরা গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে আগামীকাল দিঘা শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের কাছে স্মরক লিপি জমা দেওয়া প্রক্রিয়া শুরু করেছি। আমরা চাইছি, যাতে পর্যটকেরা আসতে পারে তারজন্য পুরানো দিঘার পার্কিং পয়েন্ট পর্যন্ত গড়িগুলিকে আসার ব্যবস্থা করুক প্রশাসন। আমরা প্রশাসনের সাথে থেকে রুটম্যাপ তৈরি করে যাতে কারো কোনো সমস্যা না হয় তার চেষ্টা করছি।

তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ বাড়ছে। স্বস্তির জন্য দিঘা মুখি হচ্ছেন পর্যটকেরা। রোড বন্ধ থাকার কারনে অনেকেই দিঘা এড়াচ্ছেন। যারা আসছেন বেশ সমস্যাতেও পড়ছেন তারা। প্রশাসন কি বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করেন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসী।

Related News

Also Read