প্রেমের সম্পর্ক ছেড়ে বেরিয়ে আসার অপরাধে প্রাক্তন প্রেমিকার আপত্তিকর ছবি সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হল নদীয়া জেলার এক যুবক। যুবতীর অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার ভূপতিনগর থানার পুলিশ অভিযান চালায় নদীয়া জেলায়।জানা গেছে সেখানকার জেলা পুলিশের সহযোগিতায় পলাশি থেকে ওই যুবককে গ্রেফতার করে ভূপতিনগর থানার পুলিশ।
অভিযুক্ত যুবক ধৃতী মণ্ডল নদীয়া জেলার কালিয়াগঞ্জ থানার উত্তর হাজরাপোতার বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত’কে কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হয়। বিচারক তার জামিন নাকচ করে ৭ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। গোটা ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
ধৃতী মণ্ডলের বাবা পেশায় প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। গত ২০১৮ সালে অভিযুক্ত ধৃতী মণ্ডলের সঙ্গে ফেসবুক এর মাধ্যমে আলাপ হয় ভূপতিনগরে মাধাখালি এলাকার এক যুবতীর। ওই সময় যুবতী নাসিং ছাত্রী ছিল । সমাজ মাধ্যমে আলাপচারিতার মাধ্যমে দুজনের মধ্যে প্রেম সম্পর্ক প্রগাড় হয়ে ওঠে।দুজনে বেশ কয়েকবার দেখাশোনাও করে।এর কিছুদিন পর দু’জনের প্রেমের সম্পর্কে ফাটল ধরে। যুবতী সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার অনেকভাবে চেষ্টা করে। অভিযোগ এই প্রেম সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইনি অভিযুক্ত যুবক।আরো অভিযোগ এর পর থেকেই ফোন করে ওই যুবতী’কে তার আপত্তিকর ছবি ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিতে শুরু করে অভিযুক্ত প্রেমিক। সেই হুমকী না শোনায় পরে অন্য নামে প্রোফাইল খুলে ওই যুবতীর আপত্তিকর ছবি সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল করে দেয় বলে অভিযোগ । এমনকি ওই যুবতী তার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা নিয়েছে বলে ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেয় ধৃতী মণ্ডল । বাধ্য হয়ে ওই যুবতী ৬ জুন ভূপতিনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ পেয়ে তদন্ত নামে ভূপতিনগর থানায় পুলিশ। বুধবার নদীয়া জেলার পলাশি থেকে ওই যুবককে গ্রেফতার করে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ভূপতিনগর থানার এক পুলিশ আধিকারিক বলেন অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে ওই যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। গোটা ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের আগে কিছু বলা সম্ভব নয় “।
অভিযোগকারী ওই যুবতীর দাবি সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার পর আমাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করতো। তার কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা নিয়েছি বলে দাবি করে এবং ফেরত চায়। এমনকি মানসিক নির্যাতনের কারণে একবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলাম ।





