বাম ও কংগ্রেসের জোট এরমধ্যে কোন বিভেদ নেই। বুধবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথির একটি বেসরকারি হোটেলে বাম কংগ্রেস জোটের প্রার্থী ঊর্বশী ব্যানার্জি ভট্টাচার্যকে পরিচয় করাতে গিয়ে প্রদেশ কংগ্রেসের মুখপাত্র সৌম্য আইচ রায় এই কথাগুলি বলেন। তিনি বলেন স্বাধীনতা সংগ্রামের পিঠস্থান পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি। এখানে কোনরকম পিছোনোর জায়গা নেই। তিনি বলেন ঊর্বশী ব্যানার্জি ভট্টাচার্য ছাত্র রাজনীতি থেকে কংগ্রেস করে আসছেন। প্রায় ৩০ বছরের বেশি কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত আছেন। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি লোকসভা কেন্দ্রের পরিদর্শক হিসেবে ১২ বছর কাজ করেছেন। তিনি দল বদলু নয়। কলকাতা বাড়ি, হাইকোর্টের প্রথিতযশা আইনজীবী। তিনি অবহেলিত নিপিড়িত মানুষের জন্য কাজ করেন। তাদের জন্য আইনি সহায়তও দেন। সমাজসেবার ক্ষেত্রে তার অবদান যথেষ্ট রয়েছে। তিনি আরো বলেন দেশের সংবিধান রক্ষা, গণতন্ত্র রক্ষা, ও দেশ বাঁচানোর লড়াইর জন্যই রাজনৈতিক লড়াই শুরু হয়েছে। ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করতে পশ্চিমবঙ্গে বাম ও কংগ্রেস জোট বদ্ধ হয়ে নির্বাচনী লড়াই করা হচ্ছে। আজ বুধবার কংগ্রেসের কর্মীদের নিয়ে কর্মীসভা যেমন হচ্ছে পাশাপাশি বামেরা কর্মীসভা করছেন। এদিন তিনি তৃণমূল এবং বিজেপিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। এই নির্বাচনে লড়াইতে কেন জোট সে সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন।
এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে বাম কংগ্রেস জোটের প্রার্থী ঊর্বশী ব্যানার্জি ভট্টাচার্য বলেন পাঁচটি ন্যায়ের পক্ষে লড়াই। আমরা মানুষের লড়াই সংগ্রামে আছি। বিজেপি কংগ্রেসের তৈরি প্রকল্পগুলি নেই কাজ করছে। নতুন কোন প্রকল্প মানুষের জন্য করতে পারেনি। ইন্ডিয়া জোট ভারতবর্ষের ক্ষমতায় এলে প্রথম মানুষের মজুরি বৃদ্ধি এবং সুনিশ্চিত কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে দিনাংক বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও কংগ্রেসের নানা লক্ষ্যের কথা তুলে ধরেন। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক শৈলজা দাস বলেন আমি খুশি হতাম কাঁথির মানুষ নির্বাচনী লড়াইর প্রার্থী হলে। কিন্তু এখানে অখুশির কোন জায়গা নেই। কারণ হিসেবে তিনি তুলে ধরেন কাঁথি লোকসভা কেন্দ্র থেকে অধ্যাপক সমর গুহ তিনবারের জন্য সংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরে ডঃ ফুলরিনু গুহা দুবারের জন্য সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। সবশেষ তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে ডঃ নীতিশ সেনগুপ্ত জয়ী হয়েছিলেন। এনারা কেউই কাঁথির মানুষ নয়। সে ক্ষেত্রে বলি যে মানুষের জন্য সংগ্রাম লড়াই করবে তাকেই প্রার্থীর করা উচিত। এখানে উর্বশী কোন অংশে অপারদর্শী নয়। সেই কারণে এই সংশয় না রাখাই ভালো। এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা কংগ্রেসের সভাপতি মানস কর মহাপাত্র, প্রদেশ কংগ্রেসের সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতিনিধি অসীম ভট্টাচার্য, নির্বাচনী কমিটির সভাপতি দীপক দাস, বাড়িবারিদ বরণ মাইতি, প্রলয় দাস, বিশ্বরঞ্জন ভট্টাচার্য, সিউ মাইতি, লিরিকা মুক্তার,এনামুল সাহেব, , গঙ্গারাম মিশ্র প্রমুখ।






