স্বামী স্ত্রী বাদাম তোলার কাজ করতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরার মহাবিশ্রা তে এসে ছিল। পরকীয়া সন্দেহে মালিকের বাড়িতেই রবি হেমব্রম তার স্ত্রীকে বেদম পেটায়। গুরুতর আহত হয় রবির স্ত্রী। পাশের গ্রামেই রবির স্ত্রীর বাবা মা কাজ করছিল। মারের চোটে মেয়ে অসুস্থ হয়েছে শুনতে পেয়েই তারা এসে মেয়েকে নিয়ে চলে যায় ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রামের বাড়িতে।সেখানে একটি হাসপাতালে ভর্তি করেগুরুতর আহত মেয়েকে। তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় উড়িষ্যার বারিপাদা হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসা চলাকালীন ১৭ ই জুন মৃত্যু হয় গৃহবধূর।গৃহবধুর বাপের বাড়ির লোকেরা এগরা থানায় খুনের অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্তে নামে।
এগরা থানার আইসি অরুণ খান জানিয়েছেন গৃহবধূর স্বামী ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম থানার পাথরাসোলের চিল্কিপদা গ্রামের বাসিন্দা রবি হেমব্রমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত কে আজ বুধবার কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হয়। বিচারক জামিন নাম মঞ্জুর করে জেল হাজতের নির্দেশ দেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে রবি তার স্ত্রীকে পরকীয়ায় যুক্ত বলে সন্দেহ করতো। সেই থেকেই মাঝেমধ্যে ঝগড়া হতো। কয়েকদিন আগে স্বামী স্ত্রীর বচসার পরেই স্ত্রী কে মারধর করে বলে অভিযোগ।মারের চোটে গুরুতর আহত হয় রবির স্ত্রী। খবর পেয়েই তড়িঘড়ি ছুটে আছে তার বাবা মা। মেয়েকে উদ্ধার করে নিয়ে চলে যায় নয়াগ্রামে।






